পাকিস্তানের নির্বাচনে ২৬৫ জন জঙ্গি প্রার্থী হওয়ার অনুমতি পেয়েছে
প্রকাশিত:
২৪ জুন ২০১৮ ০৮:৫২
আপডেট:
৫ এপ্রিল ২০২৫ ২১:৩৯

পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অনুমতি পেয়েছে ২৬৫ জন জঙ্গী। এ তালিকায় আছেন মুম্বাই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হাফিজ সাঈদের ছেলে ও তার মেয়ের জামাই। আগামী ২৫ জুলাই পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার প্রধান হাফিজ সাঈদের ভোটে লড়ার প্রস্তাব আগেই খারিজ করে দেয় পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার দলের অনুগামীদের নির্বাচনে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে মরিয়া প্রচেষ্টা চালায় হাফিজ। হাফিজের ছেলে ও মেয়ের জামাইসহ তালিকাভুক্ত ২৬৫ জঙ্গিকে ভোটে লড়ার অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
পাকিস্তানের বিতর্কিত দল, জামাত-উদ-দাওয়াকে ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের মাটিতেও হাফিজের এই দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ‘মিল্লি মুসলিম লিগ’ (এমএমএল)নামে একটি দল তৈরি করে নির্বাচনে লড়ার আবেদন জানায় হাফিজ। এই দলকেও খারিজ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। জানা গেছে, আল্লাহ-হু-আকবর তেহরিক নামে এক দলের ছত্রছায়ায় হাফিজের অনুগামীরা এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন।মিল্লি মুসলিম লীগের তরফ থেকে জানানো হয়েছে,২৬৫ জনের মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ৮০ জন ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ও ১৮৫ প্রভিন্সিয়াল অ্যাসেম্বলি নির্বাচনের জন্য লড়ছে। হাফিজের ছেলে হাফিজ তালহা সাঈদ সারগোধা ও জামাই খালিদ ওয়ালিদ লাহোর থেকে ‘চেয়ার’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বলে এমএমএল তরফে জানানো হয়েছে।এমএমএলের প্রেসিডেন্ট সাইফুল্লাহ খালিদ জানিয়েছেন, শুধুমাত্র ক্ষমতার জন্য নয়, দুর্নীতি বিরুদ্ধে লড়বে তাদের দল। পাকিস্তানকে আদর্শ মুসলিম প্রধান দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নির্বাচনে লড়ছে বলে আরও জানান তিনি
বিষয়:
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: