সিডনী মঙ্গলবার, ২৬শে জানুয়ারী ২০২১, ১২ই মাঘ ১৪২৭


অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড অভ্যন্তরীণ ভ্রমণে থাকছে না কোয়ারেন্টাইন সিস্টেম


প্রকাশিত:
১৫ ডিসেম্বর ২০২০ ১৭:০১

আপডেট:
২৬ জানুয়ারী ২০২১ ০৪:৩২

 

প্রভাত ফেরী: অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড দেশ দুটির অভ্যন্তরীণ চলাচলে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে না নাগরিকদের। কোয়ারেন্টাইনমুক্ত এ ভ্রমণে সম্মতি দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। এ চুক্তির আওতায় আগামী বছরের শুরুতে দুই দেশের মধ্যে চলাচল শুরু হবে। এ কথা জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন। তবে দুই দেশের করোনা পরিস্থিতির ওপর এই চালাচল নির্ভর করবে।

গত অক্টোবর থেকে নিউজিল্যান্ডবাসী কোয়ারেন্টাইনের শর্ত ছাড়াই অস্ট্রেলিয়ার যেকোনো রাজ্যে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া থেকে নিউজিল্যান্ড ফিরে তাদের ১৪ দিরে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হতো। আবার অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা বিশেষ কারণ ছাড়া নিউজিল্যান্ডে ঢুকতে পারতেন না। তবে নতুন চুক্তিতে এ সব নিষেধাজ্ঞা থাকছে না।

নিউজিল্যান্ড প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা দুই দেশের মধ্যকার এই চলাচলের কথা জানালেও নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করেননি। এ ছাড়া এই চুক্তিতে অস্ট্রেলিয়ার সরকারের অনুমতির প্রয়োজন আছে কিনা তাও উল্লেখ করেননি তিনি।

প্রথম দেশ হিসেবে গত জুনে নিজেদের করোনামুক্ত ঘোষণা করে নিউজিল্যান্ড। লকডাউন জারি এবং সীমান্ত বন্ধ করে তারা করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। অস্ট্রেলিয়ায়ও করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে কিছু কিছু রাজ্যে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড অভ্যন্তরীণ ভ্রমণে থাকছে না কোয়ারেন্টাইন সিস্টেম

প্রভাত ফেরী: অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড দেশ দুটির অভ্যন্তরীণ চলাচলে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে না নাগরিকদের। কোয়ারেন্টাইনমুক্ত এ ভ্রমণে সম্মতি দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। এ চুক্তির আওতায় আগামী বছরের শুরুতে দুই দেশের মধ্যে চলাচল শুরু হবে। এ কথা জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন। তবে দুই দেশের করোনা পরিস্থিতির ওপর এই চালাচল নির্ভর করবে।

গত অক্টোবর থেকে নিউজিল্যান্ডবাসী কোয়ারেন্টাইনের শর্ত ছাড়াই অস্ট্রেলিয়ার যেকোনো রাজ্যে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া থেকে নিউজিল্যান্ড ফিরে তাদের ১৪ দিরে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হতো। আবার অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা বিশেষ কারণ ছাড়া নিউজিল্যান্ডে ঢুকতে পারতেন না। তবে নতুন চুক্তিতে এ সব নিষেধাজ্ঞা থাকছে না।

নিউজিল্যান্ড প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা দুই দেশের মধ্যকার এই চলাচলের কথা জানালেও নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করেননি। এ ছাড়া এই চুক্তিতে অস্ট্রেলিয়ার সরকারের অনুমতির প্রয়োজন আছে কিনা তাও উল্লেখ করেননি তিনি।

প্রথম দেশ হিসেবে গত জুনে নিজেদের করোনামুক্ত ঘোষণা করে নিউজিল্যান্ড। লকডাউন জারি এবং সীমান্ত বন্ধ করে তারা করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। অস্ট্রেলিয়ায়ও করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে কিছু কিছু রাজ্যে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।


বিষয়:


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top