বাংলাদেশকে পাশ কাটিয়ে উড়িষ্যায় ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’
প্রকাশিত:
২৫ অক্টোবর ২০২৪ ১২:১৮
আপডেট:
৫ এপ্রিল ২০২৫ ১১:৩৬

ভারতের ওড়িশার উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় দানা। এর প্রভাবে ওড়িশার উপকূলীয় অঞ্চল ও পশ্চিমবঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বইছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে ল্যান্ডফল বা আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ২৫ অক্টোবর, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত তাণ্ডব চালিয়ে ঝড়টি এখন কোন পথে এগোচ্ছে, তা জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দফতর।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে দানা’র টেইল বা লেজের অংশ স্থলভাগে প্রবেশ করে। ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও এক থেকে দুই ঘণ্টা লাগবে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাত থেকেই ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে প্রকৃতির তাণ্ডব। তীব্র ঝোড়ো হাওয়া, সেই সঙ্গে চলছে অবিরাম বৃষ্টি।
এখনও পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবারে বৃষ্টি হয়েছে ৬৪ মিলিমিটার। দীঘায় বৃষ্টি হয়েছে ৩৭ মিলিমিটার। আর হলদিয়ায় ৬০ মিলিমিটার। এছাড়া, ওড়িশার চাঁদবালিতে বৃষ্টি হয়েছে ১৪২.৬ মিলিমিটার, ভুবনেশ্বরে ২০.৪ মিলিমিটার, বালেশ্বরে ৪৪.৮ মিলিমিটার এবং পারাদ্বীপে ৭৫.৯ মিলিমিটার।
ভারতের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তীব্র ঘূর্ণিঝড় বা সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম ‘দানা’ এখন ১০ কিলোমিটার গতিবেগে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে।
এখনো ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। কোথাও কোথাও সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুসারে, শুক্রবার দুপুরের মধ্যে তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে উত্তর ওড়িশা অতিক্রম করবে। তখন এটি দুর্বল হয়ে সিভিয়ার সাইক্লোন থেকে শুধুমাত্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। সেই ঘূর্ণিঝড় তখন ছত্তিশগড় ও মধ্য প্রদেশের অভিমুখে এগোবে।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় দানা’র ‘চোখ’ নেই বলে জানা গেছে। প্রশ্ন উঠছে, ‘চোখ’ না থাকায় কি এই ঘূর্ণিঝড় আরও ভয়ংকর হবে?
বিষয়টি নিয়ে ভুবনেশ্বরের আঞ্চলিক আবহাওয়া অধিকর্তা মনোরমা মোহান্তি জানান, ‘ঠিক উল্টো বিষয়টা হবে। যেহেতু চোখ নেই, তাই অতীতে ওড়িশায় যেসব ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছে, তার থেকে দুর্বল হবে দানা।’
বিষয়:
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: