সিডনিতে রবীন্দ্রজয়ন্তীতে কমিউনিটি সাংবাদিকতায় সম্মাননা পেলেন নাইম আবদুল্লাহ


প্রকাশিত:
১২ মে ২০২৬ ১৬:৩৪

আপডেট:
১২ মে ২০২৬ ১৬:৩৮

ছবি: নাইম আবদুল্লাহর হাতে সম্মাননা পদক তুলে দিচ্ছেন প্রভাত ফেরী’র কর্ণধার সোলায়মান দেওয়ান এবং সিডনির বিগ বি’র ডিরেক্টর অর্ণব সাহা।
সিডনিতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ভূমিকা, দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা, সততা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নাইম আবদুল্লাহকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ৯ মে (শনিবার) সন্ধ্যায় সিডনির রিচার্ড বোনিঞ্জ কনসার্ট হলে প্রভাত ফেরী’র কর্ণধার সোলায়মান দেওয়ান এবং সিডনির বিগ বি’র ডিরেক্টর ও সিডনি মাল্টি কালচারাল সোসাইটির সভাপতি অর্ণব সাহা জমকালো আয়োজনে নাইম আবদুল্লাহকে এই সম্মাননা প্রদান করেন। এই সময় মঞ্চে প্রভাত ফেরী’র কর্ণধার শ্রাবন্তী কাজী ও ‘সিডনি বিগ বি’র কর্ণধার বাসব রায় উপস্থিত ছিলেন। 
 
 
ছবি: সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সম্মাননা পেলেন নাঈম আবদুল্লাহ
 
দুই বাংলার যৌথ উদ্যোগে ‘প্রভাত ফেরী’ ও ‘সিডনি বিগ বি’-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সুরের মূর্ছনায় মুগ্ধ হয়ে ওঠে উপস্থিত দর্শকরা। বাংলাদেশ সরকারের স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত এবং ভারতের পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত এই গুণী শিল্পীর উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে করে তোলে আরও তাৎপর্যপূর্ণ।
 
 
নাইম আবদুল্লাহ একজন নিবেদিতপ্রাণ কমিউনিটি ভলান্টিয়ার ও মিডিয়া কর্মী, যিনি নিউ সাউথ ওয়েলসের বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ানসহ বহুসাংস্কৃতিক সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। একজন বাংলা ও মাল্টিকালচারাল সংবাদকর্মী হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নির্ভুলতা, সততা ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা বজায় রেখে কমিউনিটির গুরুত্বপূর্ণ খবর তুলে ধরছেন।
 
পাশাপাশি বিভিন্ন কমিউনিটির মধ্যে যোগাযোগের সেতুবন্ধন তৈরি করে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। 
 
 
এছাড়াও, নাইম আবদুল্লাহ বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কমিউনিটি কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে নেপথ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। তার প্রচেষ্টায় অনেক কমিউনিটি ইভেন্ট ও উদ্যোগ ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে এবং এতে কমিউনিটির অংশগ্রহণও বেড়েছে।
 
তরুণ প্রজন্ম ও উদীয়মান কমিউনিটি কর্মীদের উৎসাহিত করা, নতুন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করা এবং সামাজিক ইতিবাচকতা ছড়িয়ে দিতে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। ব্যক্তিগত স্বীকৃতির চেয়ে কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করার মানসিকতাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
 
অস্ট্রেলিয়ার মতো বহুসাংস্কৃতিক সমাজে তার এই অবদান নিঃসন্দেহে অত্যন্ত মূল্যবান। এই সম্মাননা তার দীর্ঘদিনের নিরলস পরিশ্রম, নেতৃত্বগুণ এবং কমিউনিটির প্রতি গভীর দায়বদ্ধতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিষয়:


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top