সিডনী সোমবার, ২১শে জুন ২০২১, ৬ই আষাঢ় ১৪২৮


ব্যাঙ্কসটাউনের পল কিটিং পার্কে “ভালোবাসার বাংলাদেশ মেলা” ১৫ই ফেব্রুয়ারী


প্রকাশিত:
২৭ জানুয়ারী ২০২০ ০৩:২১

আপডেট:
২৭ জানুয়ারী ২০২০ ০৭:২২

১৫ই ফেব্রুয়ারি ব্যাঙ্কসটাউনের পল কিটিং পার্কে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ভালোবাসার বাংলাদেশ মেলা

প্রভাত ফেরী : আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারী (শনিবার) ব্যাঙ্কসটাউনের পল কিটিং পার্কে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ভালোবাসার বাংলাদেশ মেলা’।  এ মেলায় বাংলাদেশী কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে ভিনদেশীদের সাথে পরিচিত করিয়ে দিতে চলছে বর্ণিল আয়োজন। এ উপলক্ষে আয়োজক কমিটি গত ২৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় লাকেম্বাস্থ গ্রামীন চটপটিতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের “ভালোবাসার বাংলাদেশ” মেলাটির টাইটেল স্পন্সর অস্ট্রালবিল্ট (AustralBuilt ) প্রতিষ্ঠান। আয়োজকরা জানান এরই মধ্যে প্রায় শেষ হয়েছে স্টল বুকিং এর কাজ। মেলা জুড়ে গান, নাচ, কবিতা, ফ্যাশন ও ফিউশন, এবং কনসার্টের আয়োজন চলছে।

মেলা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন আয়োজকরা

২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই মেলার আয়োজক হচ্ছেন “ব্যান্ডিং বাংলাদেশ ইনক” নামক প্রতিষ্ঠান। এই মেলায় সিডনির প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের সাথে অংশ নিতে বাংলাদেশ থেকে আসছে জনপ্রিয় শিল্পী শুভ্র দেব ও জিঙ্গেল শিল্পীরা। থাকবে সিডনিতে অবস্থানরত বিভিন্ন শিশুকিশোর সংগঠনের শিল্পীরাও।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে মাসিক মুক্তমঞ্চ সম্পাদক নোমান শামীম জানান, মেলায় চটপটি-পেয়াজু-ঝালমুড়িতে স্টলে স্টলে মেতে উঠবে সিডনির সবাই। বাহারী সব রঙের পোশাকে আসবে তারুন্য, বাজবে ঢোল, সানাই সবাইর হৃদয়ে। ডিজিটাল ডিসপ্লে, লেজার আর শাড়ী-চুড়িতে আবার জমবে মেলা পল কিটিং পার্ক, ব্যাঙ্কসটাউন।

মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান “ব্যান্ডিং বাংলাদেশ ইনক” এর সদস্যরা

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, মেলায় পার্কিং এবং প্রবেশ সম্পুর্ন ফ্রি। মেলা ২টা থেকে শুরু হয়ে চলবে গভীর রাত পর্যন্ত। মেলা কমিটির পক্ষ্ থেকে প্রচারণার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ফেসবুকে প্রচারণা, সিডনীতে পোষ্টার ও লিফলেট বিতরণ শেষ করা হয়েছে।

এই মেলার প্লাটিনাম স্পন্সর হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রকাশিত স্বনামধন্য পত্রিকা প্রভাত ফেরী।

মেলা প্রসংগে প্রভাত ফেরীর প্রধান সম্পাদক এবং অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যশনাল একাডেমির পরিচালক শ্রাবন্তী কাজী আশরাফী বলেন, ভালবাসা দিবসের পরদিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ভালবাসার বাংলাদেশ’ মেলা। আমাদের ছেলে-মেয়েরা দু’দেশের সংস্কৃতির মধ্যে বড় হচ্ছে। আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তাদের সামনে তুলে ধরতে হবে। অস্ট্রেলিয়াতে জন্ম নেওয়া ও বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরাই এ মেলার অন্যতম লক্ষ্য। আমি আয়োজকদের এই প্রচেষ্টা এবং উদ্যোগের প্রশংসা করি |

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top