সিডনী বৃহঃস্পতিবার, ২৬শে নভেম্বর ২০২০, ১২ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭

বঙ্গবন্ধুর সোনালী স্বপ্ন : ড. শাহনাজ পারভীন


প্রকাশিত:
২৬ অক্টোবর ২০২০ ১৭:১৯

আপডেট:
১২ নভেম্বর ২০২০ ০১:১১

 

মা তোর যে আমি কি বলে ধন্যবাদ জানাবো, কৃতজ্ঞতা জানাবো তা বুঝতে পারছি না মা। মা হাসু, তুই আমার লেখা বইগুলো এত সুন্দর করে জাতিকে দেখালি, এতগুলো ভাষায় জাতির সামনে প্রকাশ করলি! আমি বাকরুদ্ধ মা, আমি স্তম্ভিত, মা!
-আব্বা! আপনি? আপনি কেমন আছেন আব্বা? আপনাকে কতদিন দেখি না আব্বা। আপনি তো আগের মতোই আছেন, আব্বা। মা কেমন আছে? রাসেল? আমার সোনা ভাই?
-আমি ভালো আছি মা, তোমার মাও ভালো আছে। খোকাও তো খুব ভালো আছে। সারাদিন সাইকেল চালায়, সাতার কাটে খেলা করে। খুব আনন্দে আছে রে মা।
-আব্বা দেখেছেন, এই বই? আপনার লেখা বই!
- হ্যা, দেখলাম। তুই জানিস তো, এই বই আমি লিখবার চাইছিলাম না, আমি কি লিখবার পারি? তোর মা-ই আমারে জোর করালো, বললো, হাসুর বাপ তুমি লেখো। জেলখানায় বসে তোমার অবসরকে কাজে লাগাও। জীবনের অর্ধেক সময় তো তুমি জেলেই কাটিয়ে দিলে, তো এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টা তুমি কাজে লাগাও। তুমি তো তোমার প্রতিটা সময় কাজের মধ্যেই ব্যয় করো। পড়াশোনা করো, বাগান করো, মানুষের খোঁজ খবর রাখো। এর সাথে সাথে তুমি একটু লেখারও চেষ্টা করো।
- মা-ই তো ছিলো আপনার জীবনের সর্ব সময়ের অনুপ্রেরণা।
- তা তো। তোর মা আমার সাথে ছিলো বলেই তো আমার পক্ষে শেখ মুজিবুর রহমান হওয়া সম্ভব হয়েছিলো, মা। জানিস তো, তোর মা-ই কয়টা খাতা কিনে দিয়েগেছিলো। জেলার সেগুলো চেক করে প্রতিটা পৃষ্ঠায় সীল মেরে সাইন করে দিয়েছিলো। তাই অবসরে তোর মায়ের আবদারকে সম্মান জানাতে আমি লিখেছিলাম। আর কীই বা লেকবো, কী বা এমন করিছি জীবনে। তোর মারে আর তোদেরকে কষ্টই দিয়ে গেছি। জীবনের প্রায় অর্ধেক সময় জেলখানায় কাটায় দিলাম।
- জেলখানায় বসেও তো আপনি জীবনের শ্রেষ্ঠ মহত্তম কাজ করেছেন। জাতির জন্য এই অমূল্য সম্পদ, লেখনী; তাই লিখেছেন, আব্বা।
- তাই মা। তোর তাই মনে হচ্ছে? আর আমি তো লেখকও না। তারপরও সাদামাঠা ভাবেই আমি আমার স্মৃতি থেকে লেখা শুরু করছিলাম। আমার ইচ্ছা ছিলো, সময় সুযোগমতো বই আকারে বের করবো। কিন্তু তা তো আর হলো না। তবে কি জানিস তো মা, আমি নিজে এই বই বের করলে আজকের এই স্বর্গীয় আনন্দ পেতাম না। সেই জীবনই তো মহিমাম্বিত, গৌরবান্বিত! যেই জীবনের প্রথমে বাবা মায়ের নামে কেউ পরিচিতি পায়, মধ্যজীবনে নিজের পরিচয়ে মানুষ পরিচিত হয় এবং শেষ জীবনে সন্তানের পরিচয়ে যদি পরিচিতি পাওয়া যায়, তো সেই জীবন হয় মহিমান্বিত। সেই দৃষ্টিকোন থেকে আমি সফল। প্রথম জীবনে আমি আমার আব্বা, দাদা, পরদাদার নামে ছিলাম পরিচিত, তারপর মধ্যজীবনে নিজের পরিচয়ে ছিলাম এবং শেষ জীবনে এবং আজ পর্যন্ত আমি আমার সন্তান এবং তার সন্তান আমার নাতি নাতনীদের পরিচয়ে পরিচিত হচ্ছি একি আমার কম সৌভার্গ্য মা হাসু?
আপনি কি বলছেন, আব্বা? আমি নিজেই তো আপনার পরিচয়ে গৌরবাম্বিত। আপনার মতো একজন মহান নেতার সন্তান হবার সৌভাগ্য কয়জনের হয়, আব্বা। আমি গর্বিত। আমি সৌভাগ্যবতী। আমিও আজ খুব আপ্লুত। যেদিন আপনার হাতের লেখায় আত্মজীবনীর চারখানা খাতা পেলাম, সেদিন আমি বাকরুদ্ধ হয়ে গেছিলাম। খাতাগুলো এতই জীর্ণ ছিলো যে, হাত দেবার সাথে সাথে পাপড়ের মতো মুচমুচ করে ভেঙে পড়ছিলো। তারপর রেহানাকে ডেকে দুই বোন চোখের জলে ভিজেছি। খাতাগুলোতে আপনার হাতের লেখা ছুঁেয় ছুঁয়ে আপনার স্পর্শ পেয়েছি। মনে হয়েছে, আপনার হাত ছুঁয়ে আপনার বুকে মাথা রেখে যেন আমরা দুইবোন আপনার কথা শুনছি। আব্বা। আমার ওপর ঐদিন গ্রেণেড হামলার পর কি এক অলৌকিক ম্যাজিকে আমি বেঁচে যাই আব্বা। কিন্তু আমার ঘোর কাটেনি তখনও। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। মনে হচ্ছিলো আমি নতুন জীবন পেলাম। সারাদিনই প্রায় জায়নামাজে থেকেছি। পবিত্র কুরআন শরীফ নিয়ে থাকতাম। ঠিক ঐ ঘোরলাগা সময়ে খাতাগুলো আমার হাতে আসে। শত দুঃখ কষ্ট বেদনার ভেতর ঐ খাতাগুলো ছিলো আমার অন্য এক আলোর ঝলকানি। মনে হচ্ছিলো আপনার আর্শীবাদের পরশ পাচ্ছি আব্বা।
- কোথায় পেলে মা খাতাগুলো, কে দিলো তোমার হাতে?
- খাতাগুলো আমাকে দিয়েছিলো ঐ ফুফাতো ভাই। আরেক ফুফাতো ভাই খাতাগুলো বাংলার বাণী সম্পাদক শেখ ফজলুল হক মনির অফিসের টেবিলের ড্রয়ার থেকে খাতাগুলো পেয়েছিলো। সম্ভবতঃ আপনি এই খাতাগুলো শেখ মনিকে টাইপ
করতে দিয়েছিলেন।
- হ্যা মা, আমিই দিয়েছিলাম। সে তো আজকের কথা নয়, মা।
- হ্যা আব্বা। সে তো অনেক দিন আগের কথা। আপনি কত কাজ করেছেন আব্বা, এই দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য!
- বেশি আর কী করলাম? আমি শুধু বাংলার দুখী মানুষের জন্য আমি কাজ করতি চাইছিলাম, তাদের মুখের হাসি, পেটের দুটো ভাতের জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেলাম। জেল, জুলুম, অত্যাচার সহ্য করলাম। শান্তিতি তোদের নিয়ে এক সাথে সংসার করবার পারলাম না। তা নিয়ে আমার কোনো দুঃখ নেই মা। আজ আমার শান্তি। শুধুই শান্তি। আমার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কাজে, আমার দেশের দুঃখী মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তুই যে আমার অসমাপ্ত কাজ বলিষ্ঠভাবে সম্পন্ন করে যাচ্ছিস মা, এর চেয়ে বড় সুখ আর কি আছে আমার জীবনে? তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে আজ অন্য এক উচ্চতায় দাড় করিয়েছিস! শুধু আমার কথাই বা বলি কেন, যে কোনো পিতামাতার জন্যই তা সুখের রে মা। আজ আমি গত হয়েও তোর কর্মকাণ্ডের মাঝে বেঁচে আছি। বেঁচে থাকবো। সোনার বাংলার সোনার মানুষদের অন্তরে আমি বেঁচে থাকবো। মা।
- সেই দোয়া করবেন, আব্বা। আমার জন্য, রেহানার জন্য, আমাদের ছেলেমেয়ে সর্বোপরি বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
- হ্যা মা, তাই করি। বইগুলো কি করে প্রকাশ করলি মা? আমার তো খুব আশ্চর্য লাগছে।
- হ্যা আব্বা, আমিও খুবই খুশি এবং আপ্লুত। আপনার হাতের লেখা খাতা গুলো অনেক সতর্ক হয়ে নড়াচাড়া করতে হয়েছে। কোথাও পাতা হলুদ, জীর্ণ, নরম হয়ে গেছে। অনেক জায়গায় লেখাগুলো এত ঝাঁপসা ছিলো যে, লেখার অক্ষরগুলো উদ্ধার করতে পারছিলাম না। কয়েকটা পাতা একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছিলো। ম্যাগনেফাইড গ্লাস দিয়ে দেখেছি।
- তাও তো শেষ পর্যন্ত পেরেছো!
- তা পেরেছি, তবে পাঠোদ্ধার করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাচ্ছিলো আব্বা। খাতা হাতে পাওয়ার পরদিনই আমি রেহানা, বেবী মওদুদ কাজ শুরু করলাম। জানেন আব্বা, রেহানা আপনার খাতাগুলো পড়তে যেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছিলো বারবার। ওর কান্না থামাতে আমার আর বেবীর খুব বেগ পেতে হচ্ছিলো। যদিও আমারও বুকের ওপর ভারি পাথর চেপে বসেছিলো। কিন্তু আমি নিজেকে অত্যন্ত কঠোরতার সাথে সামালে নিয়েছিলাম। আমি যদি ভেঙে পড়ি তো রেহানার কে সামলাবে? ধীরে ধীরে নিজেকে শক্ত করি।
- কি বলছিস রে মা, তোর কথা শুনে তো আমারও চোখ ভিজে যাচ্ছে মা হাসু।
- হ্যাঁ আব্বা। প্রথমে খাতাগুলো ফটোকপি করালাম। আবদুর রহমান রমা আমাদেরকে এই কাজে সাহায্য করলো। খুবই সাবধানে কপি করতে হয়েছে। একটু নড়াচাড়া করলেই ছিঁড়ে যেতো। এরপর মূল খাতা থেকে পালা করে আমি আর বেবি রিডিং পড়েছি আর মনিরুন নেছা নিনু কম্পোজ করেছে। এতে কাজ দ্রুত হয়েছে। হাতের লেখা দেখে কম্পোজ করতে অনেক সময় লাগে। সময় বাঁচাতে আমরা এই ব্যবস্থা করেছিলাম আব্বা।
- জেলখানায় বসে লেখা বোঝো না, কখনো মন ভালো লাগতো না। লেখার মুড আসতো না, যখন মুড আসতো তখন অত্যন্ত তাড়াহুড়ো করেছি। যদিও জেলখানায় থেকেছি তারপরও সব সময় পরিবেশ পাওয়া যেতো না। কখনো লিখতে বসেছি, তো পাশের পাগলদের সেল থেকে কান্না, চিৎকার ভেসে আসতো। মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে যেতো, লিখবার অবস্থা থাকতো না। জোড় করে মন বসিয়ে লিখতাম। হাতের লেখা ভালো হতো না। কিছু কিছু লেখা দ্রুততার জন্য সংকেতেও লিখেছিলাম। আমি কি আর তখন জানতাম, এই বই যখন বের হবে, তখন আমি এই পৃথিবীতে থাকবার পারবো না, নিজে এর তদারকি করতে পারবো না, আমার প্রাণপ্রিয় আত্মজা আমার কন্যা আমার হাসু আমার এই অসংখ্য অসমাপ্ত কাজের সাথে আমার এই প্রকাশের কাজও করবে?
- আব্বা, এ তো আমার সৌভাগ্য। যে আপনার জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটা আমি করতে পেরেছি। আমি আর বেবি মিলে প্রথম মূল খাতার সাথে মিলিয়ে সম্পাদনা সংশোধনের কাজটা করি। তারপর অধ্যাপক সামসুজ্জামান খানের সঙ্গে আমি ও বেবি পাণ্ডুলিপির সম্পাদনা, প্রুফ দেখা, টীকা লেখা, স্কান, ছবি নির্বাচন ইত্যাদি যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করি। রেহানা আমাদের এসব কাজে অংশ নিয়ে সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করে।
- আমি খুবই আপ্লুত মা।
- হ্যা আব্বা আমিও। এই লেখাগুলো বারবার পড়লেও যেন, পড়ে শেষ হয় না। বারবার পড়তে ইচ্ছে করে। দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য একজন মানুষ কিভাবে ত্যাগ স্বীকার করতে পারেন, জীবনের ঝুঁকি নিতে পারেন, জেল জুলুম সহ্য করতে পারেন, তা অনাগত প্রজন্ম জানতে পারবে আব্বা। তারা বুঝতে পারবে, কিভাবে জীবনের সুখ-স্বস্তি, আরাম, আয়েশ মোহ, ধন দৌলত ত্যাগ করে মানুষের কল্যাণ চেয়ে এক মহান ব্যক্তিত্ব হওয়া যায়, নেতা হওয়া যায়?
- -কি সুন্দর করে বলছিস রে মা! আমিও তো এইভাবে ভেবে লিখিনি।
- - হ্যা আব্বা। এই লেখা পড়ে মানুষ আপনার সম্পর্কে আরও অনেক অজানা তথ্য জানতে পারবে। আপনার এই তথ্যবহুল লেখায় পাকিস্তান আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, বাঙালির স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নানা চক্রান্ত ইত্যাদি বিভিন্ন ঘটনা ও ইতিহাস জানতে পারবে।
- আমি তো সবই লেখার চেষ্টা করেছিলাম মা। কায়েমী স্বার্থবাদীদের নানা ষড়যন্ত্র এবং শাসনের নামে শোষনের অপচেষ্টা এবং সেই সংক্রান্ত নানান অভিজ্ঞতা লিখবার চেষ্টা করেছিলাম। সব তো আর লেখা যায় না।
- তারপরেও আপনি যেভাবে লিখেছেন তা ভাষায় প্রকাশ করবার মতো ভাষা আমার নাই আব্বা।
- -বাংলার মানুষ এখনও বড় কষ্টে আছে রে মা। তুই তাদের জন্য কিছু কর। বিশেষ করে মেয়েরা। তাদের সম্ভ্রমের নিরাপত্ত্বা, তাদের জীবনের নিরাপত্ত্বার দায়িত্ব পালনে আরও খানিকটা কঠোর হয়ে ওঠ মা।
- আমিও তাই ভাবছি আব্বা। কিন্তু আমার তো মাত্র দুটো হাত। আমার চেষ্টার ত্রুটি নেই। যেদিকে একটু বেখেখয়াল হই, সেদিকেই নানান ঝামেলা তৈরি হয়।
- -তা তো হবেই মা, এই সমাজের সবাই যে তোমার বন্ধু তা কিন্তু না। বন্ধুত্বের আড়ালেও রয়েছে শত্রুতা সেদিকে গভীর ভাবে খেয়াল করবা।
- আমি নানান ঝামেলার মধ্যে আছি আব্বা। একটা থুয়ে একটা। বিশেষ করে নারীদের ব্যাপারটা আমাকে বেশ ভাবাচ্ছে। আদিবাসী, সংখ্যালঘু, সংখ্যাগুরু, শিশু, ছাত্রী, শিক্ষক, মা কেঊই রেহাই পাচ্ছে না এই চক্রান্তের হাত থেকে।
- তুমি কঠিন হও, কঠোর আইন এবং তা বাস্তবায়ন করো। সব ঠিক হয়ে যাবে। একটা দুটো বিচার দ্রুত কার্যকর করলেই দেখবা অন্যরা ভয় পেয়ে দূরে সরে যাবে।
- আমিও তাই ভেবেছি। আব্বা। আমার জন্য দোয়া করবেন।
- মানুষের জীবন কিন্তু খুবই সংকীর্ণ। কখন কি হয়, বলা যায় না মা। তাই সব সময় তৈরি থাকতে হয়। বলা তো যায় না। বাকি কাজ করবার জন্য আরও বেশি সময় আমরা নাও পেতে পারি।
- ঠিক বলেছেন আব্বা। আমার জন্য দোয়া করবেন।
দূরের মসজিদ থেকে ভেসে আসে আজানের মিহি সুর। “হাইআলাসসালাহ। হাইআলালফালাহ।
আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম।” হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায় শেখ হাসিনার। সহসাই তার ঘোর কাটে না যেনো। কোথায় আমার আব্বা। তিনি অস্ফুট শব্দে ডেকে ওঠেন পরম মমতায়-
-আব্বা। আব্বা। আপনি কোথায়। আমার প্রিয় আব্বা।
আব্বার লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটা নেড়েচেড়ে দেখতে দেখতে বুকের ওপর রেখেই গতরাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। একটু সম্বিত ফিরে পেলে তিনি ধীরে ধীরে সবকিছু বুঝতে পারেন। বালিশে ভর দিয়ে বিছানা থেকে উঠতে গেলে ভেজা বালিশে হাতের স্পর্শে তিনি যেন আর এক পশলা প্রিয় আব্বার পরশে ভিজে যান।

 

ড. শাহনাজ পারভীন
কবি, গবেষক, কথাসাহিত্যিক
ভাইস প্রিন্সিপ্যাল, উপশহর মহিলা কলেজ, যশোর

 

এই লেখকের অন্যান্য লেখা



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top