সিডনী বৃহঃস্পতিবার, ২৬শে নভেম্বর ২০২০, ১২ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭

রামরাজ্যতে সবথেকে বেশি অপরাধ ও নারী নির্যাতন হচ্ছে : বটু কৃষ্ণ হালদার


প্রকাশিত:
১৪ নভেম্বর ২০২০ ১৫:৫৮

আপডেট:
১৪ নভেম্বর ২০২০ ১৭:০১

 

ধর্ষণ নামক শব্দটি ভারতবর্ষের সামাজিক চরিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনার থেকে ও ভয়ঙ্কর মহামারীর আকার ধারণ করছে। প্রাচীন পৌরাণিক যুগের সময় থেকে আজও যে নারী জল স্থল অন্তরীক্ষে সমানতালে পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমানতালে এগিয়ে চলেছে, বর্তমানে সেই নারী কুল সমাজের বুকে অসহায় ও বিপন্ন। বর্তমানে রামরাজ্য উত্তরপ্রদেশে সবথেকে বেশি অপরাধ ও নারী নির্যাতন হচ্ছে। কারণ বর্তমান সময়ে় খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে বিজেপি শাসিত রাজ্যটির নাম। হয়তো সবার মনে আছে উত্তরপ্রদেশে উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডের ঘটনাটি। ৪ ঠা জুন ২০১৭ তারিখে কাজের লোভ দেখিয়ে ভারতীয় জনতা পাাার্টর চার বারের বিজয়ী বা কুলদীপ  সে সিঙ্গার বাড়িতে ধর্ষিত হন ১৭ বছরের এক কিশোরী। ঘটনার প্রায় সাত দিন পর (১১ জুন) মেয়েটি নিখোঁজ হয়ে যায়। তার পরিবার পুলিশে অভিযোগ করেন।

২০ জুন তাকে খুঁজে পাওয়া যায় উত্তরপ্রদেশের আউরিয়াাতে। এরপর রেপ কেস ফাইল করা হয়। দৈনিক জাগরণ সংবাদপত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী শুভম সিংহ ও তার ড্রাইভার নরেশ তিওয়ারি দ্বারা ধর্ষিত হন কিশোরী। কিন্তু কেস ফাইল হওয়ার পর একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতে শুরু করে। কিছু অচেনা ব্যক্তির দ্বারা একাধিক বার  ধর্ষিত হন এবং তাকে বৃজেশ যাদব নামে এক ব্যক্তির কাছে উত্তরপ্রদেশে আউরিয়াতে  ৬০ হাজার টাকার বিনিময় তাকে বিক্রি করে  দেন। কেস ফাইল হওয়ার পর মেয়েটির মেডিকেল চেকআপ করানো হয়। ১৭ জুন মুখ্যমন্ত্রীী যোগী আদিত্যনাথকে খোলা চিঠি লিখে বিজেপি এমএলএ কুলদীপ সেঙ্গার অপরাধের কথা জানিয়ে সুবিচার চান  তার পরিবার। মেয়েটির অভিযোগ অনুযায়ী পুলিশের কাছে দেওয়া বয়ান থেকে এমএলএ কুলদীপ সেঙ্গার এর নাম তুলে নিতে বাধ্য করেন পুলিশ। প্রায় এক বছর পর যখন ধর্ষিতার পিতা তার পরিবারের সাথে একটি শুনানিতে আসেন তখন  কুলদীপ সেঙ্গারের ভাই অতুল সেঙ্গার দ্বারা ভয়াবহভাবে আক্রান্ত হন।

আক্রমণকারীকে গ্রেফতার না করে উল্টে নির্যাতিতার পিতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে দুই দিন থানায়় আটকে রাখে। নির্যাতিতার পিতা পুলিশি হেফাজতে থাকার সময় জেলা হাসপাতালে তার মৃত্যুর হয়। এমন জঘন্য ঘটনায় নাম জড়ায় এম এল এর দলবদলের। শুধু তাই নয় পুলিশের সহযোগিতায় এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় গ্রেফতার হন কুলদীপ সেঙ্গার ভাই ও তার তিন সঙ্গী। এর সাথে ছয়জন পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশের সহযোগিতায় রক্ষক শ্রেণী ভক্ষক হয়ে ওঠেন। রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে বলিয়ান হয়ে শুধুমাত্র ক্ষমতার অপব্যবহার করা একশ্রেণীর ঘৃণ্য রাজনীতিবিদ দের সংখ্যা বর্তমান সমাজের বুকে নেহাত কম নয়। নির্যাতিতার কাকাকে ১৮ বছরের পুরানো একটা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনার ২৫ মাস পরে (২৮ শে জুলাই) নির্যাতিতার উকিল ও তার দুই আত্মীয়কে নিয়ে কাকার সাথে দেখা করতে যাওয়ার পথে একটা লরির ধাক্কায় গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাটি ঘটে উত্তরপ্রদেশের রায়বেরিলি নামক জায়গায়। এই ঘটনায় নির্যাতিতের কাকিমা ও তার বোন মারা যান। নির্যাতিতা ও তার উকিল গুরুতরভাবে আহত হন। তদন্ত থেকে জানা যায় যে লরিটি ধাক্কা মেরে ছিল তাদের গাড়িতে তার নাম্বার প্লেট কালি দিয়ে ঢাকা ছিল। শুধু তাই নয় পিরিতের সুরক্ষার জন্য যে সরকারি সিকিউরিটি গার্ড দেওয়া হয়েছিল তারা সেদিন খুব রহস্যময় ভাবে অজানা কোন কারণে ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত ছিল। বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গার জেলে থাকাকালীন আরও এক সাংসদ "সাক্ষী মহারাজ" তার সঙ্গে দেখা করতে যান। এরপরেও নির্যাতিতার পরিবারকে প্রতি পদে পদে ভয় দেখানো হচ্ছিল। এরপর আবারো উত্তরপ্রদেশের হাথ্রাস এর ঘটনা কে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

গত ১৪ ই সেপ্টেম্বর হাথ্রাস এলাকায় বাড়ির কাছে একটি জমিতে মা ও তার মেয়ে জমিতে ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন। মায়ের অবর্তমানে পিছন থেকে একদল দুষ্কৃতী গলায় ওড়না পেচিয়ে টানতে টানতে কি বাজরা খেতের মধ্যে নিয়ে গিয়ে নৃশংস অত্যাচার চালায় গণধর্ষণ করে। তার জিভ কাটা অবস্থায় রক্ত ঝরছিল, এবং তাকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এমন জঘন্য ঘটনা ঘটিয়েছিল একদল পাষণ্ড বললে ভুল হবে। যদি বলা হয় মুখোশধারী হিংস্র পশুর থেকেও ভয়ঙ্কর এদের চরিত্র, তাহলেও বোধহয় কম বলা হবে। এক্ষেত্রেও প্রশাসন নির্যাতিতাদের কোন কথাই শুনতে চায় নি।কারণ দলিত মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে, ধর্ষকরা শুধুমাত্র উচ্চবর্ণের রাজপুত সম্প্রদায়ের। এ কেমন সমাজ ব্যবস্থায় আমরা বসবাস করছি? এ যুগে দাঁড়িয়েও যেখানে জাত-পাতের বিচার করা হয়। যে যুগে হিন্দুদের দুর্গা ঠাকুর বানায় রহিম চাচা। মুসলিম অন্ধ ভিখারী হরে কৃষ্ণ নাম গেয়ে স্টেশনে ভিক্ষা করে। হিন্দু ভাই মুসলিম বাড়িতে গিয়ে ঈদের খাবার খায়। হিন্দু বোন মুসলিম ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেয়, রাখি বাঁধে। মুসলিমদের জানাজাতে হিন্দুরা উপস্থিত হয়, মৃত হিন্দুর দেহ সৎকার করার জন্য মুসলিম ভাই কাঁধে করে নিয়ে যায় শ্মশান ঘাটে। সে যুগে দাঁড়িয়ে আমরা উচ্চবর্ণ নিম্নবর্ণের তফাৎ খুঁজে বেড়াচ্ছি। মায়ের গর্ভ হতে জন্মগ্রহণ করে এ পৃথিবীতে কেউ উচ্চবর্ণ আর কেউ নিম্নবর্ণ হয়ে যায়। যে সমস্ত মানুষ এমন ধারণায় বিশ্বাসী,তারা আর যাই হোক মানুষ হতে পারে না। প্রকৃত মানুষ হতে গেলে মান আর হুশ দুটোই থাকতে হয়। শুধুমাত্র বংশপরিচয় উচ্চবর্ণ থাকলেই মানুষ হওয়া যায়না। এই ধারণা যদি সঠিক হত, তাহলে জঙ্গলের রাজা শুয়োর হতো, সিংহ নয়।

ধর্ষণ হওয়ার পর প্রায় পনেরো দিন ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন বাঁচার। শেষমেষ দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে মৃত্যু হয়। JNMC এর ডাক্তাররা রিপোর্টে জানায়, ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় নির্মম অত্যাচার চালানো হয়েছিল মেয়েটির উপর। প্রচণ্ড মারধর করা হয়। মুখমন্ডলের একাধিক জায়গায় কামড়ের গভীর ক্ষত রয়েছে। শিরদাঁড়া ওভার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। অসাড় ছিল দুই পা এবং একটি হাত। শ্বাসরোধ করে খুনের চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। এরপরেও সরকারি তরফ থেকে বিবৃতি দেয়া হয়,মেয়েটির রিপোর্টে কোনরকম ধর্ষণের চিহ্ন নেই। হাথ্রাস পুলিশের এসপি সংবাদমাধ্যমে হিসেবে দেয় "নির্যাতিতের শরীরে কোনো রকম সেক্সুয়াল অ্যাসাউল্ট এর চিহ্ন পাওয়া যায়নি"। এ কেমন সরকার? এতকিছুর পরেও দোষীদের আড়াল করতে ব্যস্ত। এখানে একটিবারও কি কারো মনে হয়নি, যে নির্যাতিত বোনটি মারা কেন গেলেন?পুলিশ থেকে জেলা আধিকারিক এর প্রায় সমস্ত কর্মচারীরা আজ বিকিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এর নরকীয় ঘটনা শেষ হয়েও হলো না। কারণ পরিসমাপ্তি হতে এখনো বাকি।

ওই দিন রাত দশটা বেজে দশ মিনিটে হাসপাতাল থেকে মেয়েটির দেহ ছেড়ে দেওয়া হল। কিন্তু নির্যাতিতের পরিবারকে কিছু না জানিয়ে পুলিশ দেহটা নিয়ে চলে যায়। এর পরে শুরু হয় সরকারি পুলিশের চরম অসভ্যতামি। হাথ্রাস এ পৌঁছালে পরিবার নির্যাতিতার দেহকে ঘিরে চরম বিক্ষোভ শুরু করে। সুবিচার না পাওয়া পর্যন্ত মেয়ে কে দাহ করবে না বলে জানিয়ে দেন। কিন্তু পুলিশ রুদ্র মূর্তি ধারণ করে। রাতেই দাহ করতে হবে বলে চাপ সৃষ্টি করে নির্যাতিতার পরিবারের উপর। পরিবার সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতে, তাদেরকে এক ঘরে করে তালা মেরে দেয়া হয়। পুলিশ নির্যাতিতার দেহ নিয়ে শ্মশানের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে। তার বাবাকে জোরজবরদস্তি গাড়িতে তুলে নেয়। শ্মশানে পৌঁছে তারা আলো নিভিয়ে দেয়। রাত পৌনে তিনটা নাগাদ নির্যাতিত বোনটির দেহ আগুনে ভস্মীভূত করে দেয় সৎকারের নামে। এতকিছু নাটক করার দরকার ছিল কি? হ্যাঁ, দরকার ছিল, কারণ মৃত লাশের সাথে সাথে তারা সত্যকে জ্বালিয়ে দিয়েছে। তাই জোর গলায় সরকার বলতে পেরেছে ধর্ষিত মেয়েটির শরীরে কোন ক্ষতের চিহ্ন নেই।ধর্ষিতার শরীরে কোন ধর্ষনের চিহ্ন নেই বলে চালিয়ে দিয়েছে।কিন্তু মৃতার পরিবারকে সৎকারের জন্য লাশ কেন দেয়া হলো না? একথা কি আমরা কেউ জানতে চাইবো না? হ্যাঁ,এমন হাড় হিম করা ঘটনা ঘটে প্রতিমুহূর্তে আমাদের এই ভারতবর্ষে। বিত্তবান, অর্থবাণ, উচ্চ সম্প্রদায়ের ধর্ষকদের বাঁচাতে রাম রাজ্যের সরকারের এমন তোড়জোড় প্রক্রিয়া। ভাবতে অবাক লাগে এ কোন ধর্মনিরপেক্ষ রাজ্যে বসবাস করছি আমরা? যে দেশের সংবিধান আইন কানুন সর্বধর্মের স্বার্থ রক্ষার কথা বললেও,শুধুমাত্র অর্থ বান দের গোলামী করে। তবে শুধুমাত্র সংবিধান ও আইন কে দোষ দিয়ে লাভ নেই, কারণ এই ভারতবর্ষের একশ্রেণীর স্বার্থন্বেষী লোভী মানুষ অর্থের লোভে সংবিধানকে টেনে নিচে নামায়, আর নিজেরা বিত্তবানদের গোলাম মনে করে। এমন নিম্ন মানসিকতার রাজনীতিবিদদের  প্রকাশ্যে গুলি করে মারা উচিত।

শুধুমাত্র হাথ্রাস নয়, ধর্ষণের রাজধানী উত্তরপ্রদেশের বলরামপুরে ২২ বছরের দলিত মহিলাকে গন ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এরপর বুলান্দ শহরে ১৪ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ, আজামগড় এ ৮ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ। এমন ঘটনা উত্তরপ্রদেশে প্রতিনিয়ত ঘটছে। এই উত্তর প্রদেশ কে ভারতবর্ষের পবিত্র রাজ্য বলে মনে করা হয়। কারণ এই রাজ্যে পবিত্র রামের জন্মভূমি। কিন্তু প্রশ্ন করি, সত্যিই কি উত্তরপ্রদেশ পবিত্র রাজ্য? যে রাজ্যে মানুষ সবথেকে বেশি নিজেদেরকে রামের অনুগামী বলে পরিচয় দেন, সেই রাজ্যেই তাদের দ্বারা ঘটে যাচ্ছে অমানবিক ঘটনা। উত্তরপ্রদেশের পবিত্র রামরাজ্যে সগর্বে "ধর্ষণের রাজধানী"হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এ রাজ্যে প্রতিবছর গড়ে মহিলাদের বিরুদ্ধে ৫৯,৪৪৫ টি ক্রাইম এর ঘটনা ঘটে। গড়ে ৪৩২২ টি ধর্ষণের ঘটনা। অর্থাৎ প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর ১ করে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে এই রাজ্যে। জাতীয় ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো পরিসংখ্যান বলছে সবথেকে বেশি তপশিলি জাতি এবং আদিবাসীদের নির্যাতনে এই রাজ্য শীর্ষস্থানে”।

ক্রাইম ইন ইন্ডিয়া ২০১৯ এর রিপোর্টে বলা হয়েছে গতবছরের উত্তরপ্রদেশের তপশিলি জাতি ও জনজাতির উপর হামলার ঘটনা যথাক্রমে ৭.৩ শতাংশ এবং ২৬.৫ শতাংশ হারে বেড়েছে। এই কি রাম রাজ্যের আসল নীতি? বর্তমানে উত্তরপ্রদেশ রাজ্যটি কিন্তু ভারতীয় জনতা পার্টির দখলে। এসব ঘটনায় ধীরে ধীরে ভারতীয় জনতা পার্টির ওপর থেকে মানুষের আস্থা উঠে যাচ্ছে। কারণ যে রাজ্যে সীতা রা সুরক্ষিত নয়, সেই রাজ্যে ঘটা করে কিসের জন্য রাম মন্দির তৈরি করা হচ্ছে? সীতার আর্তনাদ শুনে শ্রীরামচন্দ্র একসময় আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন। এই রাজ্যের মূল কান্ডারীরা নিজেদেরকে রামের ভক্ত বলে পরিচয় দেন। তারা পারবেন এত নারীধর্ষণের আর্তনাদ শুনে আত্মহত্যা নয় পদত্যাগ করতে? তবে রামচন্দ্র পবিত্র সীতাকেও অগ্নিপরীক্ষা দিতে বলেছিলেন। সেই রাগে,ক্ষোভে,অপমানে পবিত্র সীতা নিজেকে পাতালে নিক্ষেপ করেন। বর্তমানে সেইরাম রাজ্যে চারিদিকে সীতা দের আর্তনাদে ভরে উঠছে। যে রাজ্য নারীদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, সেই রাজ্যে সত্যিই কি কোন মন্দির,মসজিদ দরকার আছে? তবে ধর্ষণের তালিকা শুধুমাত্র উত্তর প্রদেশ নেই, এর সাথে সাথে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, রাজ্যে ঘটে চলেছে এমন অমানবিক ঘটনা। যেখানে জাত ধর্মের নামে জালিয়াতিরা প্রতিনিয়ত শকুনি মামার পাশা খেলায় ব্যস্ত। শকুনি মামা দের এমন চক্রান্ত ভেঙে সমাজব্যবস্থাকে বসবাসের উপযুক্ত করে তুলতে হবে। ভেঙে ফেলতে হবে জাত ধর্মের বেড়াজাল। শিক্ষার আলোকে আলোকিত করে তুলতে হবে সমাজকে।বোঝাতে হবে মানব ধর্ম শ্রেষ্ঠ ধর্ম। আর এই বিশ্বে জাত হলো দুটি। একটি নর, অন্যটি নারী। তা না হলে জাত ধর্ম গন্ডির বেড়াজালে এ পৃথিবী একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে।

 

বটু কৃষ্ণ হালদার
কবর ডাঙ্গা, কলকাতা, ভারত

 

এই লেখকের অন্যান্য লেখা



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top