সিডনী রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ই আশ্বিন ১৪২৭

শাহ্ আব্দুল করিম: সংগ্রামী ও কিংবদন্তি বাউল কবি : সৈয়দ আসাদুজ্জামান সুহান


প্রকাশিত:
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৬:১৪

আপডেট:
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২২:৫৭

ছবিঃ বাউল শাহ্ আব্দুল করিম

 

বাংলাদেশের সর্বশেষ বাউল সম্রাট হিসেবে যাকে অভিহিত করা হয়, তিনি হলে ভাটি বাংলার বাউল কবি শাহ্‌ আবদুল করিম। দোতারা হাতে দেশ–বিদেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন বাউল গান গেয়ে। গানের আসরে দাঁড়িয়ে তাৎক্ষণিক গান বাঁধার মতো বিরল প্রতিভার অধিকারী ছিলেন তিন। যেকোনো ঘটনার প্রেক্ষাপটে তিনি আপন মনে যেমন তাৎক্ষণিক গান বাঁধতে পারতেন, তেমনি দক্ষ সুরকারের মতো সুরারোপ করে একতারা কিংবা দোতারায় বাজিয়ে গান গাইতেন। এমন বিরল প্রতিভার গুণেই তিনি গ্রাম বাংলার মানুষের কাছে খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তাঁর জনপ্রিয়তা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সারা বিশ্বের বাঙালির কাছে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক, সাম্যবাদী, মুক্তিকামী ও মেহনতি মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। দোতারা হাতে তিনি সারাটা জীবন অসাম্প্রদায়িকতা ও মেহনতি মানুষের পক্ষে লড়াই করে গেছেন।

 

শাহ্‌ আবদুল করিম একজন গণসংগীত শিল্পীও ছিলেন। মুক্তিকামী সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অসংখ্য গণসংগীত রচনা করেছিলেন এবং সারা দেশে ঘুরে ঘুরে গান গেয়ে সাধারণ মানুষকে জাগিয়ে তুলতেন। তিনি মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাহচর্য লাভ করেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে রাজনৈতিক সমাবেশে গান পরিবেশন করতেন। উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাউল সম্রাট শাহ্‌ আবদুল করিম উপস্থিত মুক্তিকামী জনতার উদ্দেশ্যে মুক্তির জাগরণের গান গেয়েছিলেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, ’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যা ও নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শাহ্‌ আবদুল করিমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি প্রতিবাদী গান গেয়ে সাধারণ মানুষকে আন্দোলনে উজ্জীবিত করতেন। এই দিক দিয়ে বিবেচনা করলে তিনি ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। তাই তো তিনি গান গেয়ে বলেছিলেন, ‘আমি বাংলা মায়ের ছেলে/জীবন আমার ধন্য যে হায়/ জন্ম বাংলা মায়ের কোলে/বাংলা মায়ের ছেলে/আমি বাংলা মায়ের ছেলে।’ শরিয়তি, মারফতি, দেহতত্ত্ব, গণসংগীত, দেশাত্মবোধক, বাউল গানসহ গানের নানা শাখায় তাঁর সাবলীল বিচরণ ছিল। তিনি প্রায় দেড় সহস্রাধিক গান রচনা ও সুরারোপ করেছিলেন।

 

শাহ্‌ আবদুল করিমের অসাম্প্রদায়িক চেতনায় রচিত গানগুলো এখনো আমাদের ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। আমাদের দেশে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রসঙ্গে কোনো কথা হলেই সর্বপ্রথম মনে পড়ে করিমের সেই বিখ্যাত গান, ‘গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু–মুসলমান/মিলিয়া বাউলা গান আর মুর্শিদি গাইতাম/আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম।’ এই গানে তিনি বাঙালিদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। এই গানের মধ্যে নিহিত আছে হাজার বছরের বাঙালির সম্প্রীতির বন্ধন। অপর একটি গানে করিম গেয়েছিলেন, ‘হিন্দু-মুসলিম এটা বড় নয়/আমরা বাঙালি, আমরা মানুষ’। এমন বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য গান আছে, যা বাঙালির আচার অনুষ্ঠানে সমাদৃত ও প্রচলিত। তিনি যা উপলব্ধি করতেন, তাই তিনি রচনা ও সুরারোপ করে গাইতেন। তাঁর এসব গান শুধু শুনলেই চলবে না, সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে আমাদেরও উপলব্ধি করতে হবে।

 

আবদুল করিমের অসাম্প্রদায়িক চেতনার কারণে অনেকেই তাঁকে নাস্তিক বলে অভিহিত করে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি নাস্তিক নই, কমিউনিস্ট নই। আমি আল্লাহর ওপর বিশ্বাসী। শেষ নিশ্বাস যেন ত্যাগ করি আল্লাহ আল্লাহ বলে। এটাই আমার শেষ কথা। তারা আমাকে নাস্তিক বা অন্য যা কিছু বলুক।’ তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন শোষণহীন সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির সবুজ শ্যামল সোনার বাংলাদেশ। তাই তিনি বাউল শিল্পী হয়েও সাধারণ মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন। সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হতে তিনি যেসব গণসংগীত রচনা করেছিলেন, তা গ্রাম বাংলার মানুষকে আন্দোলনে দিকে প্রভাবিত করতে ব্যাপকভাবে ভূমিকা রেখেছিল। তাঁর একটা বিখ্যাত গণসংগীতে তিনি গেয়েছিলেন, ‘এই দেশের দুর্দশার কথা/কইতে মনে লাগে ব্যথা/খোরাক বিনা যথাতথা/মানুষ মারা যায়।’ এই চারটি লাইনেই সুস্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন দেশের অনাহারী মানুষের জন্য তাঁর হৃদয় কতটা দগ্ধ হয়। বাস্তবে তিনি নিজের সারাটা জীবন দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে গেছেন। তাই নিম্নবর্গের মানুষের দুঃখ–দুর্দশার কথাই তিনি সুগভীর উপলব্ধি থেকে তাঁর বিভিন্ন গানে ফুটিয়ে তুলেছেন।

 

শাহ্‌ আবদুল করিম ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ধলআশ্রম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ইব্রাহিম আলী ছিলেন একজন দরিদ্র কৃষক, মা নাইওরজান বিবি ছিলেন পুরোদস্তুর গ্রাম্য গৃহিণী। আবদুল করিম বাল্যকালে শিক্ষালাভের কোনো সুযোগ পাননি। বারো বছর বয়সে তিনি নিজ গ্রামের এক নৈশবিদ্যালয়ে কিছুকাল পড়াশোনা করেন। সেখানেই তিনি প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। পরে নিজের চেষ্টায় তিনি স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন। দরিদ্র ও জীবনসংগ্রামের মাঝে বড় হওয়া শাহ আবদুল করিমের সংগীত সাধনার শুরু ছেলেবেলা থেকেই। তাঁর দাদা নসীবউল্লার বাউলসত্ত্বাই তাঁর মধ্যে প্রথম প্রভাব ফেলেছিল। দাদার মুখে শোনা আধ্যাত্মিক গান ‘ভাবিয়া দেখ তোর মনে/মাটির সারিন্দারে বাজায় কোনো জনে’—থেকেই গানের প্রতি দরদ অনুভব করেন।

 

একতারাতে সুর তোলার শিক্ষা পেতে দূরে যেতে হয়নি আবদুল করিমকে, দাদার কাছেই শৈশবের এই শিক্ষা নিয়েছিলেন। এভাবেই পথ চলতে চলতে কিশোর করিম যৌবনে পা দিয়ে হয়ে যান বাউল আবদুল করিম। তবে বাউল করিমের গানের জগতে আসাটা এত সহজ ছিল না। গান গাওয়ার ‘অপরাধে’ নিজের গ্রাম থেকে বিতাড়িত হতে হয় তাঁকে। এমনকি বিয়ে করা প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সংসার ভাঙে একমাত্র গান গাওয়ার কারণেই। ১৯৪৫ সালে তাঁর আপন মামাতো বোন কাঁচামালা বিবির সঙ্গে প্রথম বিয়ে হয়। ‘গান অথবা বউ’ এমন একটি শর্তের তোপে দেড় বছরের মাথায় এই বিয়ে ভেঙে যায়। কারও কথা–ই বাউল করিম তাঁর চিরসঙ্গী গানকে ছাড়তে পারেননি। গানই তাঁর সব ছিল, ছোটবেলা থেকেই সব অপ্রাপ্তি তিনি গানের সুরে ঢেকে দিয়েছেন। তাই তিনি গানে গানে গেয়ে ছিলেন, ‘গান গাই আমার মনরে বুঝাই, মন তাতে পাগলপারা/আর কিছু চায় না মনে গান ছাড়া-গান ছাড়া।’

 

পরে ১৯৫৮ সালে আবার ঘর বাঁধলেন মমজান বিবির সঙ্গে। তিনিই ছিলেন তার প্রকৃত সহধর্মিণী, চলার পথের সত্যিকারের সাথি। ভালোবেসে বাউল করিম তার নাম দিলেন ‘সরলা’। বাউলের গান বাঁধার নতুন প্রেরণা হলেন এই সরলা। বেশ সুখেই দিন কাটে দুজনের, গানের পথে কখনোই বাধা হননি মমজান বিবি। পরে শাহ্‌ আবদুল করিম তাঁর প্রিয়তমা পত্নী সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘আজকের এই করিম কখনোই করিম হয়ে উঠতে পারত না, যদি কপালের গুণে সরলার মতো বউ না পেতাম।’ বোঝাই যাচ্ছে সরলাকে পেয়ে সুগম হয়েছিল বাউলের সংগীতযাত্রা। সুরে সুরে আরও দরদে মরমি কবি মরমে প্রবেশ করলেন সরলার সঙ্গ পেয়ে। ‘বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে’—বাংলাদেশের অলিতে-গলিতে, গ্রামে-গঞ্জে কিংবা শহুরে হট্টগোল! জোরে জোরে বাজানো ডিজে মিউজিক অথবা গ্রামের জমায়েত আসর! কে না শুনেছে এই গান? কিন্তু এই সুখও বেশি দিন সইল না তাঁর ভাগ্যে।

 

অসুস্থ হয়ে বিনা চিকিৎসা মারা যান সরলা। এই ঘটনার একটা গাঢ় ছাপ পড়ে বাউলের মনে ও গানে। আকুল হয়ে বাউল সরলার বিরহে গেয়ে উঠেছেন, ‘আর জ্বালা সয় নাগো সরলা/আমি তুমি দুজন ছিলাম, এখন আমি একেলা’। একাকিত্ব আগেও ছিল, কিন্তু প্রকৃত সঙ্গ পেয়ে একা হওয়ার বেদনা আগেকার সেই একাকিত্বের চেয়ে বহুগুণ বেশি। হয়তো সরলার জন্যই বাউলমন কেঁদে উঠেছে আর বিরহের সুরে উজান ধলের তীরে বসে তিনি চোখের জলে গেয়েছিলেন, ‘কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু/ছেড়ে যাইবা যদি?/কেমনে রাখিব তোর মন/আমার আপন ঘরে বাঁধিরে বন্ধু/ছেড়ে যাইবা যদি।’ আজও বহু বিরহীর সুর হয়ে ধীর লয়ে বাজতে থাকে এই বিখ্যাত গানটি। সরলার মৃত্যুর পর তিনি পুরোপুরিই দেহতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক ধারার গানের দিকে ধাবিত হন। যার ফলস্বরূপ আমরা পেয়েছি তাঁর বিখ্যাত গান, ‘গাড়ি চলে না, চলে না, চলে না রে, গাড়ি চলে না’ কিংবা ‘কোনো মেস্তুরি নাও বানাইছে/কেমন দেখা যায়/ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নাও’। আরও স্রষ্টার সন্ধানে নিজেকে আত্মনিয়োগ করে তিনি গেয়েছিলেন আরেকটি বিখ্যাত গান, ‘দিবা-নিশি ভাবি যারে/তারে যদি পাই না/রঙের দুনিয়া তোরে চাই না।’

 

আবদুল করিমের মোট সাতটি গানের বই প্রকাশিত হয়েছে। সেগুলো হলো আফতাব সংগীত (১৯৪৮), গণসংগীত (১৯৫৭), কালনীর ঢেউ (১৯৮১), ধলমেলা (১৯৯০), ভাটির চিঠি (১৯৯৮), কালনীর কূলে (২০০১) ও শাহ্‌ আবদুল করিম রচনাসমগ্র (২০০৯)। মৃত্যুর কিছুদিন আগে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে তাঁর রচনাসমগ্র অমনিবাস-এর মোড়ক উন্মোচিত হয়। এ ছাড়া সুমনকুমার দাশ সম্পাদিত শাহ আবদুল করিম স্মারকগ্রন্থ (অন্বেষা প্রকাশন) তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। তাঁর মৃত্যুর আগে ও পরে তাঁকে নিয়ে সুমনকুমার দাশের ‘বাংলা মায়ের ছেলে: শাহ আবদুল করিম জীবনী’ (অন্বেষা প্রকাশন), ‘সাক্ষাৎকথায় শাহ আবদুল করিম’ (অন্বেষা প্রকাশন), ‘শাহ আবদুল করিম’ (অন্বেষা প্রকাশন), ‘বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিম’ (উৎস প্রকাশন), ‘গণগীতিকার শাহ আবদুল করিম’ (উৎস প্রকাশন) প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ ২০১৬ সালে প্রথমা থেকে প্রকাশিত হয় সুমনকুমার দাশের ‘শাহ আবদুল করিম: জীবন ও গান’ বইটি। এ বইটি ইতিমধ্যেই একটি প্রামাণ্য জীবনী হিসেবে বোদ্ধামহলে স্বীকৃতি আদায় করে নিয়েছে।

 

শাহ আবদুল করিম ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন। পেয়েছেন কথা সাহিত্যিক আবদুর রউফ চৌধুরী পদক, রাগীব-রাবেয়া সাহিত্য পুরস্কার, লেবাক অ্যাওয়ার্ড, মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার আজীবন সম্মাননা, সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস আজীবন সম্মাননা, বাংলাদেশ জাতিসংঘ সমিতি সম্মাননা, খান বাহাদুর এহিয়া পদক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা, হাতিল অ্যাওয়ার্ড ও এনসিসি ব্যাংক এনএ সম্মাননা। এ ছাড়া শাকুর মজিদ তাঁকে নিয়ে নির্মাণ করেছেন ‘ভাটির পুরুষ’ নামে একটি প্রামাণ্য চিত্র। সুবচন নাট্য সংসদ তাকে নিয়ে শাকুর মজিদের লেখা ‘মহাজনের নাও’ নাটকের ৮৮টি প্রদর্শনী করেছে। এ ছাড়া বাংলা একাডেমির উদ্যোগে তাঁর ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে।

 

বাংলার সর্বশেষ মুকুটবিহীন বাউল সম্রাট ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সিলেটের নুরজাহান পলি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যু এখনো ভক্তদের গভীর শোকে আচ্ছন্ন করে। তিনি তাঁর অমর সৃষ্টিতে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। ভাটি বাংলার বাউল কবি শাহ্ আবদুল করিমের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ও ভালোবাসা।

 

সৈয়দ আসাদুজ্জামান সুহান
কবি, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট
কুইন্স, নিউইয়র্ক, আমেরিকা

এই লেখকের অন্যান্য লেখা



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top