সিডনী রবিবার, ৯ই আগস্ট ২০২০, ২৫শে শ্রাবণ ১৪২৭

ভুল : বেগম জাহান আরা


প্রকাশিত:
১৪ জুলাই ২০২০ ১৬:০৪

আপডেট:
৯ আগস্ট ২০২০ ০৩:১৭

 

যে গানটা শুনলে এক সময় খুব বিরক্ত লাগতো ময়নার, এখন সেটাই শুনতে ভালো লাগে। এটা কি অনুভবের ভুল? তাই তো মনে হয়। সত্যিই এই জীবনটা অসংখ্য ভুলে ভরা। কমদিন তো আর বাঁচা হলোনা। তেষট্টি বছর পার হলো গতো মাসে। কদিন থেকে রাতে ভালো করে ঘুম হচ্ছে না। নির্ঘুম রাতে আজে বাজে চিন্তাগুলো দল বেঁধে এসে সামনে দাঁড়ায়। প্রতিটা চিন্তার একটা করে সবাক ছবি আছে। সবাই কথা বলতে চায় একসাথে। কখনও কারো কথাই বোঝা যায় না। ছটফটিয়ে উঠে বসে বিছানায় তখন।

কোনো কোনো দিন  অলস শান্ত দুপুরে মোবাইলে গানটা আবার শোনে ময়না।

“ভুল সবই ভুল/ এই জীবনের পাতায় পাতায় যা লেখা/ সে ভুল”

একেবারে ঠিক কথা। একাকী নির্জনে গান শুনতে শুনতে চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ে। কেনো এমন হলো তাদের জীবনে?

স্বামী ইসহাক গান টান ভালোবাসে না। অফিস থেকে ফিরে কিই বা কাজ! সন্ধের পর  টিভি অন করে রাখে। কতো বার যে খবর শোনে! খেলা দেখে। প্রামান্য ছবি দেখে। নাটক বা গান একেবারেই না। ছেলেমেয়েরা বড়ো হয়ে যে যার সংসারে একই শহরে ব্যাস্ত থাকে। ফলে বড়োবুড়ির জীবন মোটামুটি  নিস্তরঙ্গ কিছুদিন হলো।

তবে পৌষ্য একটা বেড়াল আছে। সে মাঝে মাঝে জ্বালাতন করে। একটু অসাবধান হলেই মাছ মাংসে মুখ দেয়। সেটা ভারি অপছন্দ ময়নার। বেশ বকাঝকা করে তখন গোলাপিকে। ভাব দেখে মনে হয়, খুব লজ্জা পেয়েছে। আর কখনও খাবারে মুখ দেবে না। কিন্তু ভুল। একটু পরেই সুযোগ পেলে  গোলাপি মাছের বাটিতে  খুব স্বাভাবিক অধিকারে মুখ দেবে।

 

ইসহাক বলেন, ওটাকে ভাগিয়ে দাও। ময়না বলে, পোষা প্রানী ভাগানো যায় বুঝি?

-নিত্য জ্বালাতনের হাত থেকে তো রক্ষা পাবে।

-ভেবেছিলাম, পোষ মানবে। প্রশিক্ষন দিতে পারবো।

-ভালোই বলেছো গিন্নি।

-কেনো, বাথরুম করার অভ্যেস তো হয়েছে। না কি?

-কিন্তু খাবারে মুখ না দেয়ার প্রশিক্ষণ তো হলো না।

আর কথা বাড়ায় না ময়না। এই বয়সে মতান্তরে যেতে ভালো লাগে না।

প্রথম জীবনে ইসহাকের মধ্যে একটু ছোঁচা ছোঁচা ভাব ছিলো। কাজের মেয়েদের দিকে কেমন করে যেনো তাকাতো। সুজোগ পেলে টেপা টেপিও করেছে। কিন্তু  দুটো ছোটো ছোটো বাচ্চা নিয়ে পেরেও উঠতো না একা একা। ফলে খুঁত খুঁতে মন নিয়েও বিশ্বাস করতে হতো বরকে। সেটাই জীবনের সবচেয়ে বড়ো ভুল ছিলো।

বেহায়া পুরুষদের সাথে পারা খুব মুশকিল। ঝগড়া ঝাঁটি হয়েছে। ক্ষমা চাওয়া চাউই হয়েছে। কিন্তু স্বভাবে তেমন পরিবর্তন আসেনি। বিএ পাশ করার পর ময়নার বিয়ে হয়। একটা কিন্ডার গার্টেন স্কুলে চাকরিও করতো। বিয়ের পর ঘনো ঘন বাচ্চা হওয়াতে চাকরি ছাড়তে হয়। শিক্ষিত মেয়ে হিসেবে পরিকল্পিত পরিবার গড়া উচিত ছিলো তার। স্বামীর আদুরে কথাতে সে গলে গিয়েছিলো। ভেবেছিলো, জীবনে স্বামীর সোহাগই সবচেয়ে বড়ো সুখ। সেটা কি ভুল ছিলো  তবে?

স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া ঝাঁটি হলে শ্বাশুড়ি মেটানোর চেষ্টা করতেন। কিন্তু ছেলের পক্ষেই রায় দিতেন। বলতেন, একটু মানিয়ে নাও মা। আল্লাহ পুরুষ মানুষকে অমনি করেই  সৃষ্টি  করেছেন।

কোনো কোনো দিন ময়না বলেছে, ওকে একটু বকে দিতে পারেন না মা?

-এই বয়সে বকে আর কি হবে বলো?

-ওকে অন্তত বুঝতে দেন যে, দোষটা সেই করেছে।

কিন্তু শ্বাশুড়ি সেইপথে হাঁটেননি কখনও। তবু ময়না ভাবতো, এইবার না হোক, পরের বার এমন হলে মা নিশ্চয় বকা দেবেন ছেলেকে। না, প্রত্যাশা করাই তার ভুল প্রমানিত হতো।

মা  হয়েছেন বলেই সবসময় ছেলের পক্ষে থাকতে হবে, এটাই মেনে নিতে পারতো না ময়না। ভাবে, সেও  কি এমনি আচরন করবে তার বৌয়ের সাথে? কেউ যদি দোষ করে থাকে, তাহলে সেটা বলাও যাবে না? হলোই বা নিজের সন্তান। তাহলে মানুষের মধ্যে ন্যায় অন্যায় বোধটাই থাকবে না?

একদিন ইসহাককে বলে ময়না, দোষ করলে নিজের ছেলেমেয়েকে সে রেয়াত দেবে  না।

 হাসে ইসহাক। বলে, সময়ই বলে দেবে ময়না মেমসাহেব কি করবেন?

-তার মানে, আমি আমাকে চিনি না?

-সে কথা কে বলেছে?

-তুমি বলতে চাও।

-আমার সারিন্দাটা কোনো  দিনই  ঠিক সুরে বাজে না। আমি বলি কি, আর তুমি বোঝো কি?

- আমার ছেলে বৌয়ের মধ্যে ঝগড়া হলে, যার দোষ দেখবো তাকেই বকে দেবো। ছেলে যদি দোষ করে তাকে, তাকেও বকে দেবো।

শব্দ করে হাসে ইসহাক।

-হাসছো কেনো? ভাবছো পারবো না?

-আচ্ছা দিও বাবা। আগে তো বৌ ঘরে আসুক।

ময়না অবাক হয় ইসহাকের হাসি দেখে। এতোদিন হলো সংসার করছে মানুষটার সাথে। সে যে কেমন, তা বোঝাতেই পারলো না? এখানেও সে পরাজিত?

চেষ্টা করে করে মা বাবার মিষ্টি ঝগড়াগুলোর কথা মনে করে। বলতে  গেলে একটু রাগিই ছিলেন মা। কিন্তু বাবার যত্নের ব্যাপারে পান থেকে চুন খসার উপায় থাকতো না। বাবার কাজে আলসেমি ছিলো  না মায়ের। রোজ টক দই খেতেন বাবা। ঘরেই জমাতেন দই। ভুলতেন না কক্ষনও। সেদ্ধ আটার রুটি খেতেন বাবা। সেই রুটিতে দাগ থাকবে না। সাদা ধপধপে  থাকবে। ছোটো ছোটো তিনটে রুটি মা নিজের হাতে সেঁকতেন। প্রতি শুক্রবারে জুম্মার নামাজে যাবেন বাবা। আদ্ধির পাঞ্জাবি ধোপদুরস্ত করে রাখতেন মা। তারপরেও খুঁটিনাটি নিয়ে সামান্য মতান্তর হতো। খুব সহজেই হার  মানতেন বাবা। বলতেন, গিন্নি, তোমার কাছে হেরেও আমি জিতি। সেটা তুমি বোঝো?

কলেজ পড়ুয়া ময়না মাঝে মাঝে বলেছে, আজ কিন্তু মায়ের হার হয়েছে। বাবা বলতেন, এখন বুঝবি না মা। সংসারের হারজিতের খেলা অন্য রকম।

-বা রে, স্পষ্ট বোঝা যায়, মায়ের ভুল হয়েছে। তবু তুমি মানবেনা বাবা?

-সংসারে সব ভুল কিন্তু ভুল নয়রে। তাছাড়া, ভুলের বোঝা নিয়েই তো জীবন চলে। তুই যদি মন থেকে বুঝিস, ভুলটা তোর না,  তাহলে হারতে ক্ষতি কি? সামান্য হারে সংসারে যদি শান্তি থাকে, তাহলে নয় কেনো? এটা একধরনের এডজাস্টমেন্ট।

কথাগুলোর মানেই  বুঝতে পারে না ময়না। বাবার কথায় এডজাস্ট করতে হলে ভুল মেনে নিতে হবে? নারীবাদী হলে বলতে হবে, মেয়েরাই কেনো সব সময় মেনে নেবে? সেকথাও তো বলা যায় না। বাবার ক্ষেত্রে উলটো। মেনে নেন বাবাই।

বাবা আরও বলতেন, তরোয়াল দিয়ে কলাগাছ কাটা সহজ, কিন্তু তুলো কাটা যায় না। তার মানে কি? সংসারে মেয়েদেরকে তুলো হয়ে থাকতে হবে? দুর! এইসব বস্তাপচা কথা কি চলে এখন? ছেলে মেয়ে বড়ো হয়েছে তো কি হয়েছে? সাধ আল্লাদ প্রত্যাশা এখনও আছে পুরো মাত্রায়। রাগ আছে,  হাসি আছে, কান্না আছে, প্রেম আছে, সংসারের জন্য ভালোবাসা আছে। ভুল কোথায় তবে?

অফিস থেকে ফিরেই  ইসহাক বলে, সাধের ময়না আজ আমাকে ফোন করেনি কেনো?

-ইচ্ছে করে করিনি।

-কেনো কেনো? এমন ইচ্ছে হলো কেনো? টাই খুলে ছুঁড়ে ফেলে সোফার ওপরে। কোট খুলে ফেলতে যাবে, এমন  সময় ময়না নিয়ে নেয় হাত থেকে।

-কি হচ্ছে এগুলো জান?

হা হা করে হেসে ওঠে ইসহাক। এখন একবার বললে হবে না। দশবার বলতে হবে।

-তুমি এমন কেনো গো? হাসে ময়নাও। কেমন সুখ সুখ ভাব বুকের ভেতর।

সন্ধে বেলায় ছেলে  মিশু আর বৌ  লিসা এলো বেড়াতে। বছর খানেক হলো সংসার করছে। বৌ চায় সংসার বড়ো হোক। ছেলে বলে, আরও চার বছর পরে। এইসব নিয়ে বিচার দিলো লিসা ময়নার কাছে।

উভয়সংকটে  পড়লো ময়না। ছেলে  চায়, চল্লিশের দিকে বাচ্চা নিতে। গাড়ি  বাড়ি সব হয়ে যাক, তারপর। লিসা বলে, বাচ্চা মানুষ করে মরতে হবে না তাহলে।

ময়নার মনে হয়, লিসাই  ঠিক। বাচ্চা মানুষ করার জন্যেও তো সময় লাগবে। তাছাড়া দেখে যেনো মনে হয় না যে, নানা দাদার হাত ধরে বাচ্চা হাঁটছে। তাদের প্রতিবেশি  রিচার্ডকে দেখলে এই  কথাটাই মনে হয়। সাতান্ন বছরের মানুষটা তিন বছরের মেয়ের হাত ধরে লনে হাঁটেন রোজ। প্রথমে মনে করেছিলো, নাতনি বোধ হয়।

আবার মিশুর কথাও ঠিক। এখনকার দিনে শুধু চাকরি থাকলেই হয়না। গাড়ি বাড়ি বিত্ত না থাকলে মর্যাদা পাওয়া যায় না। বৌয়ের কাছেও না।

সেদিনের মতো বিচার স্থগিত রাখে ময়না। ইসহাকের সাথে একবার আলাপ করতে চায়। মানুষটার বিচার ভালো। মুখে স্বীকার না করলেও মনে মনে মানে।

ইসহাক বলে, এখনকার প্রজন্ম আমাদের মতো নয়। আমরা সংসার   সন্তানকে প্রাধান্য  দিয়েছি।

-সেজন্যেই তো কষ্টও করেছি পনরোটা বছর।

-তাতে কি? সময় মতোই সব হয়েছে।

- সত্যিই বুঝতে পারি না কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল?

-কষ্টের মধ্য দিয়ে বড়ো হওয়ার যে সাফল্য, তার মধ্যে গৌরব আছে ময়না।

-মিশু বলে অন্য কথা জান।

-তুমি কি বলো শুনি?

-বুঝতে পারছি না কি বলবো?

-ছেলেকে সমর্থন দিতে চাও, আমি জানি। তুমি চাও, ছেলে যেনো আমার মতো কষ্ট না করে।

-বুঝি, খোঁচা দিচ্ছো।

সমাধান হলো না সেদিনও। ময়না চায় ছেলের সহজ প্রতিষ্ঠা। বাচ্চা কাচ্চা দেরিতে হলে কি হবে? লিসার বয়স কম। মিশুর চেয়ে এগারো বছরের ছোটো। ওর জন্য পাঁচ বছর অপেক্ষা করা খুবই সম্ভব। তবে কি বয়সের এতো ব্যাবধানের সম্পর্কটাও ভুল? সান্ত্বনা একটাই , নিজেদের পছন্দের বিয়ে।

বাচ্চা বাচ্চা করে ছেলে বৌয়ের মধ্যে সম্পর্কটা কেমন আটো আটো হয়ে গেছে। মন খারাপ করেই থাকে লিসা। এন. জি. ও.-র চাকরিতে মোটামুটি ব্যস্ততা থাকে লিসার। তবু অবসর তাকে কুরে কুরে খায়।

ক্রমেই অবস্থা খারাপ হলো। লিসা বাবার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে চলে গেলো ভাইয়ের বাসায় ত্রিবান্দ্রাম।

দুরত্ব বাড়ছিলো  মিশু আর লিসার মধ্যে। এই ঘটনায় জ্বলে উঠলো আগুন। কি থেকে যে কি হলো, সম্পর্কটা ভেঙেই যাবে। সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে  দুজনেই। ভুলটা কার, সেটা নিয়ে আলোচনা করার সময় পাওয়া গেলো না।

এমন একটা ঘটনার কথা স্বপ্নেও ভাবেনি ইসহাক। মোটামুটি সুখের সংসারে হঠাত বজ্রপাতের মতো। ভেবেছিলো, মিশু মানিয়ে নেয়াবে লিসাকে। ময়না বললো, লিসা একগুঁয়েমি করেছে। ইসহাকের মতে, ছেলেই একগুঁয়েমি করেছে। লিসা তার পছন্দের মেয়ে। ভালোবাসার মানুষ। তার কাছেও জিততে হবে কেনো?

-এর মধ্যে হার জিতের কি দেখলে তুমি?

-সেটা ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে কি? ছেলের দোষ দেখতে পাওনা?

-রেগে যাচ্ছো কেনো? এখনও সুযোগ আছে। লিসার সাথে যোগাযোগ করেছি। ওর ভাইয়ের সাথে কথা বলেছি।

-ভাই দিয়ে কি হবে ময়না?

-সিদ্ধান্তটা মুখে মুখে। কাগজে কলমে কিছু হয়নি এখনও। ভাই বলেছে, লিসা ছেলেমানুষ। রোজই বোঝাচ্ছি আমি। দেখা যাক।

-ভুল হলো পাপের মতো ময়না। পাপ যেমন বাপকে ছাড়েনা, ভুলও তেমন কাউকে রেয়াত দেয় না।

-থাক, অলুক্ষুনে কথাগুলো বলো না আর।

শেষ রক্ষা হলো না। তাকে না বলে  লিসার ত্রিবান্দ্রামে যাওয়াটাকে মানতে পারলো না মিশু। তার কথা, লিসা বিশ্বাস ভেঙে দিয়েছে।

লিসা বলে, অভিমান করে গিয়েছি।

মিশু বলে, তোমাকে ক্ষমা করলে ভুল করে হবে।

-করো না। চাই না আমি তোমার মতো কঠিন পুরুষের ক্ষমা।

বিশ্রি হয়ে গেলো  সময়। মিশুর ব্যস্ততার মধ্যে কে যেনো বিষ ঢেলে দিয়েছে। ভালো লাগেনা কিছু/ সন্ধেবেলায় ফাঁকা বাড়িটা তাকে গিলে খেতে আসে। দামি ফোমের বিছানা, ঝালর দেয়া দামি সিল্কের চাদর যেনো কামড়ায়। ঘুমোতে পারে না মিশু। কম্পিটারের যুগ। কোনও যোগাযোগ নেই তবু। কে ভুল? কিছুতেই বুঝতে পারে না মিশু।

হঠাত একটা মেইল আসে লিসার ভাইয়ের কাছ থেকে। সমুদ্রস্নানের সময় হঠাত অজ্ঞান হয়ে যায় লিসা। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উড়ে যায় মিশু তার মা বাবা সহ। দুদিন পর জ্ঞান ফিরেই সে মিশুকে ডাকে। সবাই তো কাছেই বসে ছিলো। দুহাত বাড়িয়ে মিশুর গলা জড়িয়ে ধরে লিসা।

ডাক্তার এলেন। শান্ত করলেন সবাইকে। লিসাকে বললেন, প্রথম স্টেজে রেস্টে  থাকাই উত্তম ম্যাডাম।

-কিসের প্রথম স্টেজ? জানতে চায় মিশু। লিসাও।

-আপনি তিনমাসের অন্তসত্তা। মায়েদের ভুল করা ঠিক নয় ম্যাডাম লিসা। সাঁতার কাটা পরেও হয়তে পারবে। উম? ডাক্তারের মুখে মিষ্টি হাসি।

লিসা কেঁদে ফেলে। যেজন্য এতো মান অভিমান, ঘর ছাড়া, সে  তার দেহের মধ্যে এসেই গিয়েছিলো? হায়রে, ভুলের মধ্যে বাস করে ভুলের  সাথেই  ঝগড়া?

 

ড. বেগম জাহান আরা
সাবেক প্রফেসর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
সক্রিয় ভাষাবিজ্ঞানী এবং কথা সাহিত্যিক

 

এই লেখকের অন্যান্য লেখা



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top