সিডনী মঙ্গলবার, ২৪শে নভেম্বর ২০২০, ১০ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭

চুল নিয়ে যৎকিঞ্চিৎ : রহমান তৌহিদ


প্রকাশিত:
২৯ অক্টোবর ২০২০ ১৬:২৫

আপডেট:
২৪ নভেম্বর ২০২০ ১৮:২৯

ছবিঃ রহমান তৌহিদ

 

মানব শরীরের অঙ্গপ্রতঙ্গ নিয়ে বাঙালির মাতামাতির শেষ নেই। তবে চুল নিয়ে চুলকানি দেখে আমি যারপর নাই বিষ্মিত। চুল নিয়ে এত মাতামাতির কি আছে বাপু? এই দেখ না একমাথা চুল কেটে দিব্যি টাক হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কতজন। চুল গজাঁতে না গজাঁতেই আবার টাক। নিয়ম করে দাঁড়ি কামানোর মতো চুল কামাচ্ছে। সাধারণ মানুষ না , দিব্যি সেলিব্রিটি। টাক মাথায় চুল গজাঁনোর বিজ্ঞাপন এখন মার খেয়ে গেছে। এগুলো এখন খ্যাত কালচার।
তবে যাই বলি না কেন, চুল নিয়ে বাঙালির আদিখ্যেতা রয়েই গেছে। নাপিতের দোকানে চুল কাটতে গিয়ে পাড়া-মহল্লার হাড়ির খবর পাওয়া জেনে আসা চাই। নাপিতের দোকানে আগে ছবিওয়ালা পত্রিকা পাওয়া যেত। অপেক্ষমানেরা তা উল্টে পাল্টে দেখতো। এখন দেখি টিভি চালিয়ে দিচ্ছে। আবার কিছু দোকানে দেখি বই রয়েছে। সেদিন এক নাপিতের দোকানে গিয়ে দেখি আহমদ ছফার বই। একবার ভাবলাম একটু পড়ে দেখি, পরে দেখি অপেক্ষমান দর্শকের চোখ টিভি পর্দায়। সেখানে টিভি চ্যানেলের পরিবর্তে ইউএসবি পোর্টে ভারতীয় পুরানো বাংলা গানের সাথে নিব্বা-নিব্বির হাত ধরাধরি করা মিউজিক ভিডিও। এ পরিবেশে আহমদ ছফা হাতে নিতে সাহস হল না। কি আর করা মোবাইল ডাটা খরচ করে ফেসবুকীয় জ্ঞান বৃদ্ধিতে মন দিলাম।
কোভিড উনিশ যখন বিশের মার্চ মাস নাগাদ বাঙালির জীবন বিষময় করে তুলল, তখন হঠাৎ করেই যেন মাথার চুল বড় হয়ে গেল। চুল আগেও বাড়তো কিন্তু করোনার প্রভাবে যেন বেশি বাড়তে লাগল। ভেবে দেখলাম, প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ডিম ও অন্যান্য প্রোটিন খাওয়া হচ্ছে। নাপিতের দোকান বন্ধ। চুল যেন আরা বাড়তে লাগল। চুল একটু বড় হলেই আমার মাথা গরম হয়ে যায়। তারপর বাড়ির বাইরে যাওয়া হচ্ছে না। সে এক কঠিন সময়। মনে হল, মাথায় চুলকানি হয়েছে। বিশেষ ব্রান্ডের পুরুষালী স্যাম্পু কেনা হল। কিসের কি? চুলকানি কমে না। নাকে মুখে মাস্ক লাগিয়ে ঘুরে বেড়াতে হয়। ঘেমে একাকার। তার উপর লম্বা চুল। সীমিত আকারে অফিস চালু হল। দেখি কলিগরা মাথায় চুপি পড়ে, মুখে ডবল মাস্ক পরে, ফুল হাতা শার্ট পরে, হাতে গ্লাভস লাগিয়ে অফিস করছে।
একজনকে বললাম, ডাক্তার হওয়ার বাল্যকালের শখ মেটাচ্ছেন মনে হয়।
না, ঠিক তা নয়, তবে, বোঝেনই তো ভাই। সেফটি ফার্স্ট।
বুঝলাম আহত হয়েছেন।
পাশ থেকে একজন বললেন, এ টুপি শুধু ডাক্তাররা পরে না, বাবুর্চিরাও পরে। এখন সেলুনের নাপিতরাও পরছে। সার্জনরা অপারেশনের সময় টুপি পরে যাতে চুল রোগীর পেটের মধ্যে না যায়; বাবুর্চি টুপি পরে যাতে খাবারে চুল না পড়ে।
একবার ভাবলাম, নাপিত যখন মাথায় টুপি দিয়েছে - যাই না সেলুনে। কিন্তু, কলিগরা নিরুৎসাহিত করল।
এক কলিগ প্রস্তাব দিল, আসেন পরষ্পর কামিয়ে ফেলি। ব্লেড কেনা বাবদ পাঁচ টাকা হারে খরচ। মজুরী কাটাকাটি।
স্মৃতি হাতড়ে দেখলাম, প্রস্তাবকারী একবার দু’টো পাওয়ার ক্যাবল জোড়া লাগাতে হাত অনেক কাাঁপাকাপি করেছিলেন। সাহস পেলাম না। তাছাড়া, সফটওয়্যার দিয়ে নিজের মাথাভর্তি চুলের ছবি থেকে টাক মাথার ছবি বানালাম। অপূর্ব সৃষ্টিকর্ম দেখে মুগ্ধ হলাম এবং সিদ্ধান্তে আসলাম এ মুগ্ধতা জনগণের জন্য নয়।
আমার উন্মাদপ্রায় অবস্থা দেখে গিন্নি দয়াপরবশ হয়ে বলল, আস, তোমার চুল ছোট করে দিই।
কাঁচি হাতে তার মিটিমিটি হাসিমুখ; পাশে তাকিয়ে দেখি ইউটিউবে চুল কাটার ভিডিও দেখছে মেয়ে।
ভেবে দেখলাম, পরের মেয়ের হাতে কানশুদ্ধ মাথাটা সঁপে দেওয়া নিরাপদ নয়। তার চেয়ে নিজের মেয়ের প্রতি আস্থা রাখা যায়- যখন সে বাবার চুল কাটার জন্য ইউটিউব ঘাটাঘাটি করে।
যাহোক, সেই এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত - চুল নিয়ে মহাবিপাকে পড়া দিনগুলোতে মেয়ে আমাকে উদ্ধার করেছে। প্রথম প্রথম একটু কাঁপাকাপি হলেও পরবর্তীতে একেবারে দক্ষ হাতে চুল কেটেছে।
তো, এই অক্টোবরে এসে সেলুনে যাবার সাহস হল, সে গল্প শুরুতে বলেছি।
সে গল্পে ফিরে যাই। অপেক্ষার পালা শেষ হয় না। এক এক জনকে দীর্ঘ সময় নিয়ে নিতান্ত দার্শনিকের মত চুল কেটে যাচ্ছে। লক্ষ্য করলাম, আগের মত নাপিতের কাঁচির সাথে মুখ চলছে না। আগের জনের চুল কাটা শেষ হলে চেয়ার ভাল করে জীবানুমুক্ত করা হল। নাপিতও হাত ভাল করে ধুয়ে নিল। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় মুগ্ধ হলাম। যেটুকু সংশয় ছিল তা কেটে গেল। নাপিত দক্ষ হাতে চুল ছোট করতে থাকল।
শুধু একবার জিজ্ঞাসা করল, অনেকদিন পর আসলেন। চুল কে কেটেছে?
পরিচিত নাপিত; মুচকি হেসে বললাম, মেয়ে।
ভালই কেটেছে। অনেকের চুলের অবস্থা আরো খারাপ।
যাহোক, বিল দিতে গিয়ে বুঝলাম, করোনা ভাইরাস আমাদের খরচ অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। জীবানুনাশকের দাম ভালই যোগ হয়েছে চুল কাটার বিলে। তবুও স্বান্তনা, সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।
চুল নিয়ে এত চুলচেরা বিশ্লেষণ শুনতে শুনতে পাঠক নিশ্চয় বিরক্ত হয়ে ভাবছেন, কি হিন্দী চুলের গল্প ফেঁদে সময় নষ্ট করছে।
বাচ্চার চুল কাটতে একসময় বলাকা ব্লেড ব্যবহার করা হতো। নতুন ব্লেড দিয়ে চুল কাটার পর তা দিয়ে হাত – পায়ের নখ কাটা হত। তারপর আরও কিছু কেটে তার ছুটি হত।
গ্রাম সম্পর্কীয় এক চাচাকে একবার দেখেছিলাম, টোপাজ ব্লেড দিয়ে সেভ করে প্রতিবার সেভ করার পর কাগজে একটা দাগ দিয়ে রাখে। বিষয়টি লক্ষ্য করার পর একবার করলাম কি, চাচার অবর্তমানে কাগজে বেশ ক’টা দাগ বসিয়ে দিলাম। চাচা বেশ খুশি এতবার সেভ করার পরও ব্লেড ধারালো আছে। কে যে কিসে খুশি বোঝা দুষ্কর।
সেভেন ও ক্লক ব্লেড একটু দামি। চাচা কিনতে চায় না। তাকে বোঝানো হল, এ ব্লেড দিয়ে সকাল সাতটায় সেভ করতে হয় আর তাতে সেভ মসৃণ হয়।
এরপর এসে গেল ওয়ান টাইম রেজর। সেই বনেদি রেজরও হারিয়ে গেল, আর হারিয়ে গেল ব্লেড। এখন তা কুরবানির সময় গরুর ভুড়ি পরিষ্কার করার সময় শুধু খোঁজ করি।
বনেদি রেজর ব্লেড হারিয়ে গেলেও এসে গেল ওয়ান টাইম রেজর। সঙ্গে এল ট্রিমার। ব্যবসায় দেড়শ দুশো শতাংশ লাভ করার যে অংক কষা হত তা বাস্তবে দেখা দিল ট্রিমার ব্যবসায়।
এতক্ষণ আলোচনায় আমি শুধু পুরুষের চুল নিয়ে কথা বলছি। আসলে পুরুষের চুল নিয়ে এত কথা বলার কি আছে? যেই না চুল, তার আবার ঢং। চুল ছিল আমার নানীর। আর তারও আগে বনলতা সেনের।
চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার দিশা ...
বিদিশার কথায় দিশা হারাবেন না, আর না হারায়েই বা যাবেন কোথায়?
ক্ষমতাধর মহামান্য দিশা হারালেন আর আপনি আমি তো ছার।
তবে কথা সত্য, চুল নিয়ে দিশা না হারালেও আপনি যদি আপনার স্ত্রী বা কন্যার সাথে চুলের প্রোটিন, সিরাম বা ট্রিটমেন্টের বিভিন্ন উপাদান কিনতে সুপার শপে যান এবং সে বিল একবার ভালভাবে লক্ষ্য করে থাকেন, তবে দিশা হারাতে বাধ্য।
তখন আপনার বাল্যকালের সাদা কালো টিভিতে দেখা বিজ্ঞাপনের কথা মনে হবে, মা মেয়ের এত চুল, এমন পরিবারই তো খুঁজছিলাম।
আর আপনার মনে হবে, শ্যাম্পু আর নারিকেল তেল আর কন্ডিশনারের দাম নিতান্তই কম।
ক্যুইজের আদি বাংলারুপ ধাঁধাঁ আর তাতে চুল নিয়ে অনেক কথা আছে।
তো বাল্যকালে একটা ধাঁধাঁ শোনা যেত : কোন জিনিস স্থান ভেদে ভিন্ন ভিন্ন নাম হয় ? উত্তরটা এত সোজা যে, আমি যত জনকে এক ধাঁধাঁর উত্তর দিতে শুনেছি তারা কেউই ভুল উত্তর দেয়নি। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল এ ব্যাপারে তাদের উৎসাহ ও অভিব্যক্তি। অঙুলি প্রদর্শণপূর্বক স্থানভেদে নাম বলা শুরু করতেই, প্রশ্নকারীর শেষ মিনতি থাকতো, আর নীচে নামিস না। সে এক সময় ছিল। মানুষ বিষয়টাকে হাস্যরসের মাধ্যমে নীচে নামার একটা সীমা নির্ধারণ করেছিল।
আর এই গল্পের সাথে সাথে অবধারিতভাবে উর্দু সাহিত্যের একজন কবির নাম চলে আসতো। কেন তাকে মহাকবি বলা হতো তা জানতাম না তবে এটা বুঝতাম ছন্দ মেলানোর জন্য এই মহা কবি নামকরণ। মাথা থেকে বিঘৎ বিঘৎ করে নামতে নামতে কবির নামের শেষ অংশ মেলানোর জন্য এরুপ কসরৎ পরবর্তীকালে আর আমার দৃষ্টিগোচর হয়নি।
এবার দারোগাবাবুর গল্প।
কোন এককালে এক থানায় এক রসিক দারোগাবাবু ছিলেন। পাঠক নিশ্চয়ই জানেন, এখন আর দারোগা নামে কোন পদবী নেই। সুতরাং, গল্পটি যথার্থ কোন এক কালের। সত্য মিথ্যা খুঁজবেন না, শুধু গল্পের মজা নেন। তো, সেই থানা এলাকায় এক প্রভাবশালী নেতার ততোধিক প্রভাবশালী পুত্র এলাকা দাঁপিয়ে বেড়ায়। দারোগাবাবু দেখেও দেখেন না। একদিন এক কুকর্ম করে জনতার হাতে ধরা খেল নেতা-পুত্র। দারোগাবাবু বাধ্য হয়ে তাকে থানায় নিয়ে এলেন। থানায় এসেই নেতা-পুত্র বলতে লাগলো, যাই আঙ্কেল, বাই।
তাতো যাবেই, থানায় যখন এসেছো, যাবে তো বটেই। একটু চা খেয়ে যাও।
না, না আঙ্কেল, চা লাগবে না। আমি যাই।
তা এক কাজ করো, তোমার মাথা থেকে একটা চুল ছিড়ে দিয়ে যাও।
কেন, আঙ্কেল?
না মানে , একটা শখ।
দারোগাবাবুর কথায় নেতা-পুত্র একটু নাখোশ হলেও মাথা থেকে একটা চুল ছিড়ে দারোগার হাতে দিল।
গেটের বাইওে গিয়ে আবার ফিরে আসলো নেতা-পুত্র।
আঙ্কেল, সত্যি করে বলেন তো, এ চুল দিয়ে আপনি কি করবেন?
এবার দারোগাবাবু মিটি মিটি হেসে বললেন, না তেমন কিছু করবো না, আর একটা চুল দিয়ে কিই বা করা যায় বলো ? একটা শখ আর কি? তাছাড়া, তুমি তো গেটের বাইরে গিয়ে বলবে, থানায় নিয়ে গেছিলো চুলটাও ছিড়তে পারেনি। তাই, প্রমাণ রাখলাম।
এবার এক বাচ্চা ছেলের গল্প।
সেদিন বলল, আঙ্কেল, এত কিছুর ডাক্তার আছে চুলের ডাক্তার নেই কেন?
আমি বললাম, আছে তো।
বলেই বুঝলাম ফেঁসে গেছি, পোলাপান এখন বড্ড সেয়ানা।
বুঝেছি, আপনি বলবেন স্কিন ও সেক্সের ডাক্তার চুলের চিকিৎসা করে।
আমি কিভাবে বলবো সেটা ভাবছি আর সে দিব্যি বলে দিল। ইংরেজি ভাষার স্মার্টনেসে আমি মুগ্ধ।
এই দেখ না, নাক-কান-গলার ডাক্তার। তারা তিনটারই চিকিৎসা করে। তাই স্কিনের ডাক্তার চুলের চিকিৎসা করলে ক্ষতি কি?
আমি আত্মপক্ষ সমর্থন করি।
না ক্ষতি নেই, তবে স্কিন, সেক্স ও চুলের ডাক্তার বললে ভাল হতো। আরো ভাল হতো দাঁতের ডাক্তার বা চোখের ডাক্তারের মত চুলের ডাক্তার থাকলে।
তুমি চিন্তা করো না, যা দিনকাল পড়ছে, তুমি বড় হতে হতে চুলের ডাক্তার পাওয়া যাবে। আর ইচ্ছা হলে তুমিও হতে পারবে চুলের ডাক্তার। লোকে তোমাকে ডাকবে, চুলের ডাক্তার।
বাচ্চাটাকে স্বান্তনা দেই। আর মুখে উচ্চারণ করি, চুলের ডাক্তার, চুলের ডাক্তার। মনে মনে হিন্দি চুলের ডাক্তার।
শেষ করি এক গ্রাম্য কবির গল্প দিয়ে। পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া বিপুল অর্থ আর পুরানো বইপত্র পেয়ে বিলাসী জীবন যাপনে অভ্যস্ত কবি আবিষ্কার করলেন, অধিকাংশ কবি সাহিত্যিকেরা কিঞ্চিৎ পান করেছেন। এক সুরাসক্ত বন্ধুও জুটে গেল। নিজ বাড়িতেই চলল সুরাপানের আসর। কোভিড উনিশ তখন অজানা থাকলেও সীমিত আকারে সুরাপান চলছিল। কাব্য চর্চা তেমন না হলেও এলাকায় কবি নামে পরিচিত ছিলেন। এমন সময় শহুরে এক কবি বন্ধুর কাছে জানতে পারলেন, ক্লাসিক কিছু রচনা করতে হলে আধ্যাত্মিকতার পথে হাটতে হবে। এবার কবি সেদিকে মন দিলেন। শরীয়ত- মারফত, হারাম- হালাল নিয়ে বিস্তর পড়াগুনা ও আলাপ আলোচনা হল। হাসন রাজা, লালন ফকিকের গান শুনতে লাগলেন। ওমর খৈয়াম, মওলানা জালালউদ্দীন রুমী, হাফিজ পড়তে লাগলেন। মাঝে মধ্যে ওয়াজ নসিয়তও বাদ গেল না। দেখতে দেখতে তার চুল- দাড়ি-গোঁফ একটু বড় হয়ে গেল। একদিন শহুরে কবি বন্ধু সদলবলে এসে হাজির। পুরানো অভ্যাস। সুরাপানের সময় কবির গোঁফে লেগে গেল সুরা। এবার কবি ভাবে, পানীয় গোঁফে লেগে মাকরুহ হয়ে গেল।
সচেতন পাঠক নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন, সুরাপান যে হারাম সে কথা না ভেবে মাকরুহ নিয়ে মাতামাতি করছেন কবি। আমার হয়েছে, সেই অবস্থা। কত কি নিয়ে লেখার আছে, আর আমি পড়ে আছি চুল নিয়ে।
আর আপনি যে এখন আমার লেখার চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে বসবেন, তাও জানি।

 

রহমান তৌহিদ
রম্য লেখক।
লেক সার্কাস, কলাবাগান, ঢাকা

 

এই লেখকের অন্যান্য লেখা



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top