সিডনী মঙ্গলবার, ১৩ই এপ্রিল ২০২১, ৩০শে চৈত্র ১৪২৭

ক্লোন : ঋভু চট্টোপাধ্যায়


প্রকাশিত:
৬ মার্চ ২০২১ ১৫:৩৮

আপডেট:
৬ মার্চ ২০২১ ১৫:৩৮

 

নিজেকে বেশ হাল্কা লাগছে, দিব্যি চায়ের দোকানে আরামে বসে গল্প মারছি।যদিও আজকাল অন্য পাড়াতে গ্যাঁজাই।ঘড়ির কাঁটা দুটোর ঘর ছুঁলেও কোন তাড়া নেই, বাড়ি থেকে কেউ ফোন করে বলবে না,‘আমি তোমার মাইনে করা চাকর, ভাতের থালা নিয়ে বসে থাকবো?’

সমস্ত সেটিং করে নিয়েছি। এখন বাড়িতে আরেকজন আমি হয়ে আমার উপস্থিতি দিচ্ছে।আজ রবিবার আমার সরকারি অফিসের ছুটি, চুটিয়ে আড্ডা মারছি। এপাড়াতে আমার আড্ডাবাজ বন্ধুদের তিনটে স্তর আছে।একটা যারা রিটার্য়ার হয়ে গেছেন, দ্বিতীয় আমার বয়সিরা আর একটু পরে বেকার কিছু যুবক। সবাই আমাকে বন্ধু ভাবে, আমি সবার সাথেই বিড়ি সিগারেট শেয়ার করি, সবার সাথে আমিষ নিরামিষ দু’ধরনের ইয়ার্কিই করি। বেশ ভালো লাগে, অনেক নতুন কিছু জানতে পারি। মিত্রদা আমার ডিপার্টমেন্টেই কাজ করতেন। এখন রিয়ার্টার ম্যান। কয়েকদিনের আগেই বলছিলেন, ‘বুঝলে আমাদের মত ভুল করবে না, এখন থেকে অল্প অল্প করে টাকা জমাতে আরম্ভ করে জমিতে ইনভেস্ট কর, ভালো রিটার্ন দেবে। তারপর তো ধর শেয়ার মার্কেট আছেই।’ মিত্রদা অবশ্য আমার ব্যবসার খবর জানেন না।তবে উঠতি এই ছেলেগুলোকেই আমার বেশি ভালো লাগে। ওদের কাছেই সব থেকে ভালো খবর থাকে। সেটা সেই পাড়ার কোন উঠতি মেয়ে নতুন কোন বয়ফ্রেণ্ডকে পাকড়েছে অথবা কোন বাড়িতে নতুন গিজার বসছে। এই গ্রুপের পিছনে আমার সব থেকে বেশি ইনভেস্ট।কথায় কথায় এসে বলে,‘ও কাকা, একটা বিড়ি খাওয়াও তো।’

‘তোর বাপের কাছে গিয়ে চাইবিরে।’প্রথম প্রথম মনে হত।বলেও দিতাম। এখন বিড়িটা দিয়েই জিজ্ঞেস করি,      ‘বল পাড়ার কোন নতুন মাল এসেছে ?’

ওরা আমার সামনে হাসে, আর পিছনে ঢ্যামনা কাকা বলে।আমার নিজের পাড়ার ছেলেগুলোও এটাই বলত।তাতেই আমার বউএর রাগ।অবশ্য আমার গুনধর ছেলেটা না থাকলে বউ এত কিছু বুঝতে পারত না। কোন দিনই কিছু বোঝে নি। কয়েক বছর আগে অফিসের একটা পিকনিকে কয়েক পাত্র বেশি খেয়ে এক্কেবারে বেসামাল হয়ে গেছিলাম। ওখান থেকে একটা ট্রেকারের পিছনে চাপিয়ে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিল। ফিরে এসে বউএর হাত পা ধরে একটা নাটক করে দিয়ে বলে উঠলাম, ‘দেখলে তো ওরা আমার কি সর্বনাশ করে দিল, এই জন্যেই আমি ওদের সাথে পিকনিক করতে যাই না। তুমি বললে তাই গেলাম।’ বউ আমার অফিসের কলিগদের গাল দিয়ে আমাকে নিয়েই পুরো সন্ধেটা কাটিয়ে দিয়েছিল।

এখন আর ওসব হচ্ছে না। ছেলেটা কয়েকদিন আগেই নাকি ওর মাকে বলেছে,“বাবার জন্যে পাড়াতে আর মুখ দেখানো যাচ্ছে না। সবাই দেখা হলেই বলছে,‘তোর বাপটা আচ্ছা ঢ্যামনা, যার দিকে পারছে ঝারি মারছে, আপেল পেঁপে লাউ কুমড়ো কোন ফলকে বাদ দিচ্ছে না। যার সাথে পারছে বিড়ি মারছে, খিস্তি খামারি করছে। “তুই একটু বাড়িতে সামলা। আমি খুব সমস্যাতে পড়েছি।”

আমি সেদিন কিছু বলিনি। একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছিল। চায়ের ঠেকে বসে বসে ছেলের কোন এক বান্ধবীর দিকে নাকি একটু বেশি ক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। ও আমাকে চিনত সেটা কি করে জানব? তাছাড়া ওরকম খাসা মাল যদি....।

আমার এক বন্ধু আবার তার ছেলের গার্লফেণ্ডকেই একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে এমন জ্বলিয়ে ছিল যে বিয়ে বাড়িতেই বাপ ব্যাটার হাতাহাতি আরম্ভ হয়ে যায়। আমি তো সেরকম না।তবে আমারও ঘরে একটু চিৎকার হল। আমি বহু চেষ্টা করেও ছেলে বা ওর মাকে বলতে পারিনি, ‘দিন কাল এখন খুব খারাপ, তোর ক্ষমতা থাকলে তুই ওঠা, আমার থাকলে আমি।’

সব কিছু সামলে নিয়ে ছিলাম।কয়েকদিন কথা বলা বন্ধ করেছিল। তারপর আবার সব শুরু। না নিলে ওদের উপায় ছিল না। আরে বাবা ব্যাঙ্কটা তো আমার ছেলের বাবার। আর আমিই তো....।

এমনিতে সব কিছু ঠিকঠাক চললেও কি যে হল রবিবার পাড়ার ঠেকের জন্য পা বাড়ালেই বউ ঝামেলা আরম্ভ করত। বুঝতে পারতাম বউ না, আসলে ছেলেই তার মাকে দিয়ে এসব করাচ্ছে। দু সপ্তাহ তো অফিস ছাড়া আর বাড়ির বাইরে বেরোতেই দিল না। অফিস থেকে ফিরতে একটু দেরি হলেই চিৎকার করতে আরম্ভ করত। বাজারটাও ছেলে করে আনছিল।ঘরে বসে বসে দুজনের গুষ্টি উদ্ধার করলেও কাজের কাজ কিছু হল না। তখনই একদিন অফিসের রতন আমাকে ওরকম ডিপ্রেস্ড দেখে কারণ জিজ্ঞেস করতে আমিও সব বলে দিলাম।ব্যাস কেল্লা ফতে। ঠিকানাটাও পেয়ে গেলাম।প্রথমে অবশ্য আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। তবে বর্ধমান শহরের একটা জায়গায় দশ মিনিটের মধ্যে নিজের মোটর বাইকের চাবির একটা ডুব্লিকেট পেয়ে গেছিলাম। ওরা শুধু চাবিটা নিয়ে একটা মেসিনে ঢুকিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে বলে। চাবি রেডি। সেটা মনে পড়তেই একটু আশা পেলাম। চাবির যখন ক্লোন হয়ে যায়, তখন আমি কোন ছাড়। তাছাড়া জেরক্সটাকি ক্লোন নয়?

কথাগুলো রতনকে বলতেই আমাকে উত্তর দেয়, ‘এক্সেটলি, আমিও এই কথাটাই বলছি। আপনি চলুন, তবে দশ মিনিট নয় দুদিন লাগবে।’

-সে লাগুক, দুদিনের জায়গায় দু মাস লাগুগ, কিন্তু তারপর তো বাঁচব।

– সে আর বলতে।

-কিন্তু টাকা পয়সাতো অনেক লাগে নাকি?

-একদম পকেটের হিসাবে।আসলে এই মার্কেটে এখন খুব কম্পিটিসন, অনেকেই এখন নিজের আরেকটা ক্লোন করে নিচ্ছে।সেন্টারও বাড়ছে, ওরা বেশি নিলেই আর তো লোকজন আসবে না।

আমি একটু অবাক হই। একটা আস্ত মানুষের জেরক্স বেরিয়ে যাচ্ছে, আর আমরা এত পিছনে পড়ে থাকছি। তাও কেমন যেন কথাগুলো বিশ্বাস হল না। জিজ্ঞেস করলাম, ‘এত সব খবর তুমি কি করে জানলে?’

–কি করে কি বলছেন, আমিও তো এটা করিয়েছি।

– দাঁড়াও। তারমানে আমার সামনে যে বসে আছে সে কি আসল রতন নয়?

- না না, আমি আসল, আমার জেরক্সটা এখন একটা বিয়ে বাড়ির নিমন্ত্রণ রাখতে গেছে। গতকাল ওটাকে পাঠিয়ে ছিলাম।

-গতকালেরটা তুমি ছিল না ? বুঝতে পারিনি তো।

-বুঝবেন কি করে, ওটাই তো ম্যাজিক।

–কিন্তু একঘরে দুজন একই মানুষ থাকবে কি করে?

-কে বলছে থাকতে? পুরো মালটা ফোল্ডিং হয়ে যাবে, কোন একটা জায়গায় রেখে দেবেন।

–বলো কি? আস্ত একটা মানুষ ফোল্ডিং হয়ে যাবে?

-আরে দাদা, চিপ সিস্টেমটাই তো এখনকার জীবন।

আর কথা না বাড়িয়ে টাকার অঙ্কটা জিজ্ঞেস করতেই প্রথমে একটু মাথা ঘুরলেও সামলে নিলাম। সত্যিই তো টেবিলের তলা দিয়ে টাকা পয়সাতো কম কামাই না। দুতলার উপরে স্টোর রুমে একটা ব্যাগে বেশ যত্ন করে কিছু টাকা রাখাও আছে।কাউকে অবশ্য যেতে দিই না। ‘দরকারি কাগজ, এগুলো না হলে পেনসেন আটকে যাবে।’ এই সব বলে বুঝিয়ে রাখি। অবশ্য কয়েকদিন হল ছেলে বড় হয়ে যাবার পর একটা ভয় মাঝে মাঝে খোঁচা দিচ্ছিল। অবশ্য নিয়মিত সেই সব টাকার সদ ব্যবহার করি। অফিসের পিকনিকে বউএর বদলে অন্য কাউকে নিয়ে  আলাদা থাকি। অফিসের রেবা বা তানিয়ার সব খরচ দিয়ে দি।প্রথম জন বিধবা দ্বিতীয় জন ডিভোর্সি। তাও যে কটা টাকা আছে সেগুলোকে ভালো উদ্দেশ্যে দেশ হিতে ব্যবহার করাই ভালো।রতন আমাকে অবশ্য আরেকটা বুদ্ধি দিল, ‘দাদা, ঐ মালটাকে অফিসে পাঠিয়ে ব্যবসা আরম্ভ করুন।এখন তো কনস্ট্রাকশনেই ক্যাশ। আপনি তো লাইনটাও জানেন।’

কথাগুলো মনে ধরল।অফিসের কাজের নাম করে দুদিন বেপাত্তা হয়ে গেলাম। সব ঠিক হয়ে যাবার পর বাড়ির কাছে এসে আমার আমিটাকে সব বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিলাম।নিজে রেবার কাছে চলে গেলাম।ফোন করে জানিয়ে ছিল,‘ছেলেটা মামার বাড়ি গেছে।’

সন্ধেটা কাটিয়ে একটু ঢুলু ঢুলু চোখে বাড়ির কাছে এসে আমিটাকে ডেকে নিলাম।তার পর পোশাকটা পালটে দিব্যি ঘরে ঢুকে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ালাম।বউ বুঝল অফিসের কাজে দুদিন  বাইরে গিয়ে ঘরে ফিরে একটু বিশ্রাম নিয়ে আবার বাজার বেরিয়েছে। এরপর অফিস শেষ হলে আরেক আমিকে ঘরে পাঠিয়ে আমি নিয়ম করে একদিন রেবা একদিন তানিয়া অথবা আরো অন্য কোন পাড়ায় দিব্যি ঘুরে বেড়াতে লাগলাম।

রবিবার আর নিজের পাড়ায় বসি না।রতন বা সোমনাথদের পাড়ায় চলে আসি।সুন্দর আড্ডা চলে।পাড়ায় নতুন কোন পাখী দেখলেই চোখ আর জিব দিয়ে ডেকে নিই ‘কুকুরুকু।’

ঘরে সবারই মুখ এক্কেবারে বন্ধ করে দিয়েছি।বউকে নিয়মিত গয়না দিচ্ছি। ছেলেকে নতুন বাইক, নতুন মোবাইল, সপ্তাহের প্রথমেই হাত খরচের টাকা সব এক্কেবারে নিয়মিত দেওয়া চলছে। শ্বশুর বাড়িও বাদ দিচ্ছি না। অফিসেও প্রায় আমি স্পনসরড খাওয়া দাওয়া হচ্ছে। এমনকি বাড়ির ফ্রিজ টিভি সহ বেশ কিছু জিনিসও বদলে ফেললাম। বউ বাপ বাপ খুশি, শুধু চোখে মুখে একটা অদ্ভুত জিজ্ঞাসা বুঝতে পারি, ‘এত পরিবর্তন?’

আমার আমিটা কিন্তু বেশ ভালো।কোন প্রশ্ন করে না। শুধু যা করতে বলি মুখ বুজে করে যায়। বাড়িতে আমার অফিসের ব্যাগের ভিতর থাকে। কারোর বুঝতে পারার কোন প্রশ্নই নেই।

আস্তে আস্তে নিয়মিত অফিস যাওয়া বন্ধ করে দিলাম। একটা নতুন কন্সট্রাকসনের ব্যবসা আরম্ভ করেছি।আমিটাকে অফিস পাঠিয়েও ব্যস্ততা খুব, তারপর রেবারা আছে।

একদিন অদ্ভুত একটা ঘটনা ঘটল।কয়েকদিন পর নিজে অফিসে গিয়ে কাজ করতেই দেখি আমার বড় সাহেব ডেকে বললেন, ‘আপনি এখন কি খাচ্ছেন বলুন তো। এই কয়েকদিনে যা কাজ করলেন সবাই আমাকে আপনার নামে কমপ্লেন করে বলছে, ‘আপনি সবাইকে খাটিয়ে মারছেন।’

কোন উত্তর না দিলেও বুঝলাম এটা আমার ঐ আমিটার কাজ। একদিন রেবা ও তারপরের দিন তানিয়ার বাড়িতেও পাঠিয়ে দিলাম।পরের দিন যেতেই আমাকে বলল,‘কাল তুমি কি খেয়েছিলে, অফিসে ওরকম মিয়ানো বিস্কুট আর এখানে এসেই বাঘ হয়ে গেলে।’

অফিসে সাতদিনের ট্যুর বলে বেরিয়ে গেলাম, বাড়িতে জানল অফিস ট্যুর। তিনদিন রেবা, তিনদিন তানিয়া, ঘরে থাকল আমার আমিটা।ও বলা হয় নি, ঐ আমিটা কিন্তু টাকা পয়সাও তুলতে বা ফেলতে পারে। বাড়ি ফিরে সেই রাতে বউ এর সাথেই শুতে হল। পরেরদিন সকালে উঠেই বউ বলে উঠল, ‘তোমার  মাঝে মাঝে কি হয় কে জানে? ছয় দিন ওরকম ভাবে.. তারপর একদম ফেনা উঠে গেল। বুঝলাম আমার আমিটাকে নিয়ে সবাই বেশ খুশি, এমনকি অফিসের কাজের জায়গাতেও সবাই এক্কেবারে চনমনে। কিন্তু ওটাকে কিছু বলা যাবে না, বললেও কোন উত্তর দেয় না, মুচকি হাসেও না, তারপর তো চিপ হয়ে যায়।

তমালের সাথে মাঝে মাঝে ক্যান্টিনে গিয়ে আলোচনা করি। আরেকটা ক্লোন করবার কথা ভাবছি। একটা অফিসে থাকবে একটা বাড়িতে আর আমি ব্যবসা করব।তাছাড়া বয়স বাড়ছে, এবার একটু বেশি করে আনন্দ ফূর্তি করতে হবে। বলা যায় না কোন দিন ফুটুস দুম হয়ে যাবো তখন আফসোসের শেষ থাকবে না।

কথাবার্তা প্রায় পাকা হয়ে গেল। ও আবার নতুন আরেকটা সেন্টারের কথা বলছে। ওদের তৈরী ক্লোনটা আবার আমার সাথে যেতে যেতেই অন্য কাজ করতে পারবে। আমারই গাড়িতে ড্রাইভার হতে পারবে, বাইক চালাতে পারবে।শুধু টাকাটা অনেকটাই বেশি।

একরাতে অফিস থেকে ফিরতেই বউ পাশের বাড়ির বৌদির সাথে দেখা করতে গেল।ছেলেটা গেল আড্ডা দিতে। দেখলাম এই সুযোগ কালো টাকাগুলো বের করে হিসাব করতে হবে।

উপরে ছাদে সেই স্টোর রুমটাতে গেলাম। আমার ঐ আমিটাকে পাশে গোটানো অবস্থায় রেখে টাকা গুনছি দেখলাম গোটানো আমিটা হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেল। তারপর মাথাটা ধরে বার কয়েক প্যাঁচ দিতেই আমার শরীররা গুটিয়ে যেতে আরম্ভ করল।

‘কি হচ্ছেটা কি?’ চিৎকার করে জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিলাম। ততক্ষণে আমার শরীরটাকে সেই কালো টাকার ব্যাগটাতে ভরে চেন লাগিয়ে দূরে ছুঁড়ে দেওয়া হল। এতদিন এখানেই আমার কালো টাকার সাথে মাঝে মাঝে আমার ঐ আমিটাকেও রাখতাম।ব্যাগের ভিতর থেকে চিৎকার করতে আরম্ভ করলাম, ‘ঐ আমি এ আমি নয়।’

কে শোনে কার কথা, আস্তে আস্তে দরজা বন্ধ করবার পরে সিঁড়ি দিয়ে নেমে যাওয়ার শব্দ পেলাম। তবে নেমে যাওয়ার শব্দটা একজনের ছিল না।

 

ঋভু চট্টোপাধ্যায়
পশ্চিম বর্ধমান, ভারত

 

এই লেখকের অন্যান্য লেখা



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top